২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১২:৫৭
শিরোনাম:

ছেলে হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে আমরন অনশনে বসেছেন রায়হানের মা

ছেলে হত্যার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে আমরন অনশনে বসেছেন সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশি নির্যাতনে নিহত রায়হান আহমদের মা সালমা বেগম।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

রোববার সকাল ১১ টা থেকে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি বন্দরবাজার ফাঁড়ির সামনে অনশনে বসেন। অনশনস্থলে তারা হত্যাকাে সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন ধরনের ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। অনশনরত রায়হানের পরিবারের সদস্যদের মাথায় এসময় কাফনের কাপড় (সাদা কাপড়) বাঁধা রয়েছে।

এ সময় গণমাধ্যমকে রায়হানের মা সালমা বেগম বলেন, আমার ছেলের হত্যাকারীকে যতক্ষণ পর্যন্ত গ্রেপ্তার না করা হবে ততক্ষণ অনশন চালিয়ে যাবো। আমার ছেলেকে যেখানে হত্যা করা হয়েছে, প্রয়োজনে আমিও সেখানে মারা যাব। তিনি আরো বলেন, যারা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে তাদেরকে কেন এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না? তাদেরকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলে এ ঘটনায় জড়িত সবার নাম বেরিয়ে আসবে। এই ফাঁড়ির ইনচার্জ আকবরকেও দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। সব দোষীরা গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে। মানবজমিন

গত ১১ অক্টোবর সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে নগরীর নেহারিপাড়া মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে রায়হান আহমদকে গুরুতর আহত অবস্থায় ওসমানী মেডেকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন বন্দরবাজার ফাঁড়ির এএসআই আশেকে এলাহী। সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান রায়হান।

[৬] এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী হত্যা ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনে থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর বন্দর বাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবরসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিন জনকে প্রত্যাহার করা হয়। মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাশ ও হারুনুর রশিদকে গ্রেপ্তার করে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে।

 

Loading