গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২ এ থাকা নকশাবহির্ভূত ৯১১টি দোকানের উচ্ছেদ অভিযান শুরু করতে সকাল থেকেই বাধার মুখে পড়তে হয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) কে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!একপর্যায়ে বেলা একটার দিকে পুলিশের সাথে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয় দোকানি ও কর্মচারীদের। এরপরই দোকানিদের রাস্তা থেকে সরিয়ে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে ডিএসসিসি। এসময়, শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করেন ব্যবসায়ীরা।
মঙ্গলবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করতে তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে আসেন। কিন্তু উচ্ছেদ ঠেকাতে দোকানিরা রাস্তায় অবস্থান নিলে বাধাগ্রস্ত হয় অভিযান।
বেলা ১১ টার দিকে ‘জীবন দেব, কিন্তু রাস্তা ছাড়ব না’, ‘রক্ত দিব, তবুও দোকান ছাড়ব না’ এমন সব স্লোগান দিয়ে হাজারের বেশি দোকানি ও কর্মচারী অভিযান ঠেকাতে মার্কেটের সামনের রাস্তায় অবস্থান নেন। এরপরই তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।
নগর ভবনের ঠিক উল্টোপাশে ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেট-২ এর অবস্থান। এতে তিনটি ভবন রয়েছে। এগুলো এ, বি ও সি ব্লকে ভাগ করা হয়েছে। এ মার্কেটের নকশাবহির্ভূত ৯১১টি দোকান চিহ্নিত করে এবং সেগুলো উচ্ছেদের সুপারিশ করে একটি কমিটি গঠন করে দেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলীকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের এই কমিটি নকশাবহির্ভূত ৯১১টি দোকান চিহ্নিত করে এবং সেগুলো উচ্ছেদের সুপারিশ করে। কমিটির সুপারিশে মেয়র সম্মতি দিয়ে নকশাবহির্ভূত দোকান উচ্ছেদের নির্দেশনা দেন। এরপর আজ বেলা ১১টা থেকে পর্যায়ক্রমে নকশাবহির্ভূত সব দোকান উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেয় ডিএসসিসি।
তারা বলেন, ‘এটি তাদের রুটি-রুজির একমাত্র অবলম্বন। এই উচ্ছেদ তাদের পেটে লাথি মারার জন্যই করা হচ্ছে। এজন্য তারা জীবন দিতেও প্রস্তুত।’ তদের দাবি, নকশাবহির্ভূত এসব দোকান বৈধ করতে তারা লাখ লাখ টাকা দিয়েছেন। কিন্তু সেই টাকা ফিরিয়ে না দিয়ে এখন বিনা নোটিশে উচ্ছেদ করার জন্য এসেছে সিটি করপোরেশন।
![]()