৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:০৬
শিরোনাম:

ভাস্কর্য প্রসঙ্গে বিএনপিকে অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী

ভাস্কর্য প্রসঙ্গে বিএনপিকে অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনারা তো জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্য সারাদেশে বানিয়েছেন। আপনারা আপনাদের বক্তব্য স্পষ্ট করুন। এই অপশক্তির বিরুদ্ধে আপনারা বক্তব্য দিন। এটা করতে আপনাদের এত লজ্জা কেন।’ বাংলা ট্রিবিউন

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল ভাস্কর্য নিয়ে তার অবস্থান কী। তিনি নির্লজ্জের মতো বললেন, “এটি আমার কাছে কোনও ইস্যু নয়।” সারাদেশ উত্তাল আর তার কাছে ইস্যু না। তার ইস্যু হচ্ছে, তারেক রহমানের মতো যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে কীভাবে দেশে ফেরত আনা যায়, দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়াকে কীভাবে মুক্ত করা যায়, খালেদা জিয়ার হাঁটুর ব্যথা-পায়ের ব্যথা তার কাছে ইস্যু। আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই। বক্তব্যের মাধ্যমে আপনাদের অবস্থান পরিষ্কার করুন। অন্যথায় অপশক্তির পেছনে ইন্ধনদাতা হিসেবে জনগণ আপনাদের চিহ্নিত করবে।’

বুধবার (৯ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন স্বাধীনতার পরাজিত শক্তির পরবর্তী প্রজন্ম দেশ এগিয়ে যাক তা চায় না। ১৯৭১ সালে যারা ফতোয়া দিয়েছিল, “মুক্তিযোদ্ধারা সব কাফের”, “পাকিস্তানের বিরুদ্ধে লড়াই করা ঈমানের বরখেলাপ”। এমনকি এই ফতোয়া দেওয়া হয়েছিল, আমাদের মা-বোনরা গনিমতের মাল, তাদের ভোগ করা যাবে।’

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজে মহাসচিব শাবান মাহমুদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের উপদেষ্টা অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘যারা সেই ফতোয়া দিয়েছিল, তাদের পরবর্তী প্রজন্ম হচ্ছে আজকের ভাস্কর্যবিরোধীরা। যারা সেই ফতোয়া দিয়েছিল, তাদের অনুসারীরা ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য দিয়ে একটি শ্রেণিকে উসকে দিচ্ছে, ভাস্কর্য ভাঙচুর করছে। এই দেশে ভাস্কর্য হাজার বছর ধরে আছে। এই দেশে ব্রিটিশ আমলে ভাস্কর্য নির্মিত হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরও আমাদের ইতিহাস-ঐতিহ্যকে ধারণ করার স্বার্থে ভাস্কর্য নির্মিত হয়েছে। তখন কেউ কথা বলেনি, অথচ যখন বিভিন্ন জায়গায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মিত হচ্ছে তখন তাদের গাত্রদাহ হচ্ছে। এটি রহস্যজনক। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যবিরোধী কথা বলে আবার গ্রহণযোগ্যতা আদায়ের জন্য বঙ্গবন্ধুর পক্ষে দুই-চার কথা বলার চেষ্টা করছে। এগুলো হচ্ছে ছলচাতুরি। এটি হচ্ছে তাদের পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করার জন্য অপকৌশলের অংশ।’

 

Loading