২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ২:৩৫
শিরোনাম:

গ্রামীণ বাজারে শীতবস্ত্র বিক্রেতাদের ডাক চাইচাই লন, বাইছি বাইছি লন

শাহাদাত হোসেন, ( রাউজান চট্টগ্রাম প্রতিনিধি) রাউজানে জমে উঠেছে শীতের কাপড়ের ব্যবসা।পৌষ মাস থেকেই শুরু হয় শীতের মৌসুম। আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে শীতের তীব্রতা। যতই শীতের তীব্রতা বাড়ছে রাউজানের বিভিন্ন মার্কেট ও ফুটপাতে জমে উঠছে শীতের গরম কাপড়ের ব্যবসাও।অল্প দামে মোটামুটি ভালো শীতের গরম কাপড় কিনতে নিম্ন আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত মানুষরাও ভিড় করতে দেখা যায় ফুটপাতের ভাসমান দোকানগুলোতে। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, রাউজানের ফকির হাট বাজার, গহিরা চৌমুহনী, নোয়াজিষপুর নতুন হাট, হলদিয়া আমিরহাট, নোয়াপাড়া পথের হাট ও পাহাড়তলী চৌমুহনীসহ বিভিন্ন হাট বাজারের মার্কেটে ও ফুটপাতের দোকানে নানা রকমের শীতের গরম কাপড় বিক্রি হচ্ছে। অনেকে  আবার ভ্যানগাড়ি করেও বিক্রি করছেন গরম কাপড়। ফুটপাতের এসব দোকান ও ভ্যানগাড়িতে ১০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দামে শীতের গরম কাপড় পাওয়া যাচ্ছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

শিশু থেকে শুরু করে নারী-পুরুষসহ সব বয়সীদের রয়েছে শীতের কাপড়। শীতবস্ত্র বিক্রেতাদের ডাক আসেন ভাই, আসনে আপু, চাই চাই লন, বাইছি বাইছি লন,এক দাম, এক রেট, দশ টাকা,পঞ্চাশ টাকা, একশ-দেড়’শ টাকা।এভাবেই নারী, পুরুষ, শিশু, তরুণ-তরুণীদের কাছে শীতের কাপড় বিক্রি করছেন হকার ব্যবসায়ীরা।কোথাও একদরে কোথাও দামাদামির মাধ্যমে চলছে বেচাকেনা।ক্রেতারা যার যার পছন্দ মতো কিনছে গরম কাপড়। রাউজান ফকির হাট বাজারে শীতবস্ত্র ব্যবসায়ী আলী আজগর মিটু ও সাদ্দাম হোসেন জানায়, বাহিরে থেকে আসা এসব পুরাত কাপড়ের গাইড ঢাকা ও চট্টগ্রাম নিউমার্কেট থেকে কিনে এনে খুচরা বিক্রি করছি ফুটপাতে বসে।এসব পুরাত কাপড়ের গাইড কিনে আনতে হয়েছে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে।একেকটি গাইডের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শীতের গরম কাপড় রয়েছে।যার মধ্যে রয়েছে সোয়েটার, জ্যাকেট, কানটুপি, মাফলার, হাত-পায়ের মোজসহ ইত্যাদি।এসব গরম কাপড় ১০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৪শ টাকা  দামে  বিক্রি করা হচ্ছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে বেচাকেনা।প্রতিদিন ৩-৫ হাজার টাকার কাপড় বিক্রি করা হয় বলে জানান তারা।

Loading