৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৮:০০
শিরোনাম:

আওয়ামী সরকারে হরেক কিসিমের ক্রীতদাস ও মোসাহেবে পরিপূর্ণ, এই সরকারের হাতে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির মৃত্যু ঘটেছে : রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ভিনদেশের কেউ সীমান্তে আমাদের দেশের নাগরিককে হত্যা করার সাহস কিংবা ঔদ্ধত্ব দেখালে সেটি কোনো সাধারণ হত্যাকাণ্ড নয়। সেই হত্যাকাণ্ড শুধু লাশের সংখ্যা দিয়ে বিবেচ্য নয়। বরং ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আমাদের দেশের মান মর্যাদা, সম্মান ও সম্ভ্রমবোধ জড়িত। আওয়ামী সরকারে হরেক কিসিমের ক্রীতদাস ও মোসাহেবে পরিপূর্ণ, এই সরকারের হাতে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির মৃত্যু ঘটেছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

রিজভী বলেন, নতজানু মিডনাইট অটো সরকারের মন্ত্রীদের এসব বক্তব্য শুনলে মনে হয় তারা স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রী নন, তারা অন্য কোন দেশের প্রতিনিধি। বিএসএফের নির্বিচারে বাংলাদেশি হত্যার বিরুদ্ধে সরকারিভাবে কার্যকর পদক্ষেপ তো দূরের কথা, মৌখিক কড়া প্রতিবাদ জানাতেও আমরা কখনো দেখিনি। জনসমর্থনহীন সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণেই বিএসএফ এমন দুঃসাহস দেখাতে পারছে।

সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হত্যাকাণ্ড নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন ও খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের বক্তব্যের সমালোচনা করেন তিনি বলেন, যারা প্রতিনিয়ত বাংলাদেশীদের পাখির মতো গুলী করে হত্যা করছে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ তো দূরের কথা উল্টো এই দুই মন্ত্রীর বক্তব্যে বাংলাদেশের মানুষদেরকে হত্যা করারই ন্যায্যতা দান করছে। হত্যার দায় সরকার এড়াতে পারে না।

[৫] তিনি বলেন, আইন ও শালিস কেন্দ্রের তথ্যমতে, এই সরকারের গত ১২ বছরে প্রায় সাড়ে পাঁচ শত বাংলাদেশীকে সীমান্তে হত্যা করেছে বিএসএফ। এই করোনার মধ্যেও গত প্রায় এক বছরে প্রতিবেশী দেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর হাতে খুন হয়েছে ৪৫ জন বাংলাদেশী।

Loading