রাজধানীর কলাবাগানে মা’রা যাওয়া ‘ও’ লেভেল শি’ক্ষার্থী আনুশকা নূ’র আমিনের স’ঙ্গে দুই মাস ধ’রে যোগাযোগ ছিলো অ’ভিযুক্ত ফারদিন ইফতেখার দিহানের।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!দিহান জানিয়েছে, আনুশকা বেলা সাড়ে ১১টায় তার মা’কে দিহানের বাসায় যাওয়ার কথা জানিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। এ সময় তিনি আনুশকাকে দুপুরের খাবার কিনে দেয়ার কথা বললেও তারা নেয়নি।
দিহানের নানা অ’সুস্থ হওয়ায় ঘ’টনার দিন তার মা নানাকে দেখতে বগুড়ায় যান। তাই আগের দিন মুঠোফোন ম্যাসেঞ্জারে চ্যাট করার সময় দিহান আনুশকাকে জানায় তার বাসা খালি থাকবে। চাইলে সে আসতে পারে।
পরবর্তীতে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের মেট্রো শপিংমলের কাছ থেকে আনুশকাকে স’ঙ্গে নিয়ে দিহান কলাবাগান মোড়ে লাজফার্মা’র কাছে রেখে সে একা বাসায় প্র’বেশ করে।
আনুশকার স’ঙ্গে তার দৈহিক স’ম্পর্কের প’রিক’ল্পনা আগে থেকেই করে রেখেছিলো দিহান। কিন্তু আনুশকা জানতো তারা বাসায় গিয়ে কিছুক্ষণ গল্প করে পরবর্তীতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ফারদিনের ভোটার আইডি কার্ড সংশো;ধ’ন করতে যাবে। কিন্তু বাসায় যাওয়ার পরে কথা বলার এক পর্যায়ে দিহান আনুশকার স’ঙ্গে শা;রীরিক স;ম্পর্ক করে।
এ সময় আনুশকাকে সে জানায়, বাসায় ঢু’কে ফোন দিলে সে যেন বাসায় যায়। আনুশকা পূর্ব প’রিক’ল্পনা অনুযায়ী সে ভাবেই ফারদিনদের ফাঁ’কা ফ্ল্যাটে কোনো প্রকার বা’ধা ছাড়াই প্র’বেশ করে।
এদিকে আনুশকার রেক্টাম ও যৌ”না”ঙ্গে মিলেছে অস্বাভাবিক ‘ফরেন বডি’র আ’ঘাত। কি ছিল সেই ‘ফরেন বডি’? সেই র’হস্যকে কেন্দ্র করে চলছে গভীর অনুসন্ধান।
এরইমধ্য থেকে ত’দন্ত সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র প্রত্যক্ষ আলামত ও চিহ্নের ভিত্তিতে ধারণা করছে যে- দেশীয় আকৃতির পু”রু”ষা”ঙ্গ নয়, বরং ফরেন বা বিদেশি বড় পু’রু’ষাঙ্গ আকৃতির কিছু একটা ভিক্টিমের রেক্টামে পুশ করানো হয়েছে।
আনুশকার র’হস্য উদঘাটনে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট একাধিক প্রতিষ্ঠান। ইতোমধ্যেই মেডিকেল ফরেনসিক টিম ময়নাত’দন্তের কর্মকা’ণ্ড চালাচ্ছে। বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে কাজ করে যাচ্ছে সিআইডিসহ আইন প্রয়োগকারী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।
যে কারণে যৌ’না’ঙ্গ ও রেক্টাম ফে’টে গিয়ে অ’তিরিক্ত র’ক্তক্ষরণ হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনুশকার সু’রুতহাল হয়। সেখানকার ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ সংবা’দমাধ্যমকে বলেন, স্বা’ভাবিক পে’নিস দ্বারা রেক্টাম ও যৌ’না’ঙ্গ ব্যবহার করলে এতটা ভ’য়াবহ প’রিণতি হওয়ার কথা নয়।
শ’রীরের নিম্না’ঙ্গে ‘কোন ফরেন বডি সাইজ’ কিছু একটা ব্যবহার করা হয়েছে। এক কথায় সেখানে বি’কৃত যৌ’নাচার করা হয়েছে। যার কারনে প’রিস্থিতি এতো ভ’য়াবহ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি আমার পো’স্টমর্টেম জী’বনের অ’ভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি, পে’নিস (পুরু’ষা’ঙ্গ) দ্বারা এই ই’নজুরি মোটেও সম্ভব না। ওটা পে’নিসের বাইরে অন্য কিছু ছিল।
যো’নিপথ ও পা’য়ুপথ থেকে প্রচুর র’ক্তক্ষ’রণের কারণে ভু’ক্তভো’গীর মৃ’ত্যু হতে পারে বলে ধারণা এই চিকিৎ’সকের। তিনি বলেন, প্রচুর র’ক্তক্ষ’রণ হওয়ায় সে ‘হাইপো ভোলেমিক’ শকে মা’রা গেছে।
মানুষের মাত্রাতি’রিক্ত র’ক্তক্ষ’রণ বা দে’হ থেকে অ’তিরিক্ত তরল বের হয়ে গেলে হৃদপিণ্ড স্বা’ভাবিক কার্যক্ষ’মতা হা’রায়। এ কারণে হৃদযন্ত্র শ’রীরে র’ক্ত সরবরাহ করতে পারে না, মানুষ মা’রা যেতে পারে।
দিহানের ভাই বলেন, হঠাৎ দুপুর ১টা ২৫ মিনিটের দিকে দিহান আমাকে ফোন দিয়ে কাঁদো কাঁদো স্বরে কথা বলে। জীবনে ওকে আমি কখনও কা’ন্না করতে দেখিনি।
ফোন দিয়ে বলে, ‘ভাইয়া বাসায় বান্ধবীকে নিয়ে এসেছিলাম। অ’জ্ঞান হয়ে গেছে। হাসপাতা’লে নিয়ে যাচ্ছি। তুমি আসো, তুমি ছাড়া আমাকে কেউ বাঁ’চাতে পারবে না।’
দিহানের ভাই আরও বলেন, আমি ভ’য় পেয়ে যাই। তখনই আমা’র কর্মস্থল থেকে বের হয়ে এসেছি। দিহান বারবার ফোন দিচ্ছে ‘ভাইয়া তুমি দ্রু’ত আসো।’ পরে দুপুর ১টা ৫০-এর দিকে আবার ফোন করে।
তখন বলে, ‘ভাইয়া ও তো মা’রা গেছে’। তখন আমি বলি, ‘কে মা’রা গেল ঠিকঠাক মতো বলো’। দিহান বলে, ‘তুমি হাসপাতা’লে চলে আসো দ্রু’ত।’
রাজধানীর কলাবাগানের ডলফিন গলি এলাকায় ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের এক শিক্ষার্থীকে পর অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে তার বয়ফ্রেন্ড ফারদিন ইফতেখার দিহান ও তিন সহপাঠীর বি’রুদ্ধে।
![]()