২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:০১
শিরোনাম:

অপসারণ করা হলো পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা সৈকতের কংক্রিটের ভাঙ্গা অংশ

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি : অপসারণ করা হলো পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা সৈকতের কংক্রিটের ভাঙ্গা অংশ। ট্যুরিস্ট পুলিশ জোন ও পৌরসভার যৌথ উদ্যোগে সৈকতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ভাংঙ্গা কংক্রিটের অংশ গুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এর ফলে পর্যটকরা ঝুকিঁমুক্ত নির্ভিগ্নে চলা ফেরা করতে পারবে। গত বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে এ অপসারনের কাজ শুরু করা হেয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুয়াকাটায় সৈকত লাগোয়া এলজিইডির গেস্ট হাউজ কাম বায়োগ্যাস প্লান্ট ভবনটি বালু ক্ষয়ের কারনে সমুদ্র গর্ভে চলে যায়। ভবনটির উপরি ভাগের অংশ বিশেষ সরিয়ে ফেলা হলেও বালুর নিচে পরে থাকে কংক্রিটের ভাংঙ্গা অংশ। সে গুলো জোয়ারের পানিতে বালুমাটি সরে গিয়ে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে জেগে ওঠে। আর অনেক পর্যনটক না জেনে সমুদ্রে গোসল করতে নেমে আহত হয়। এ গুলো অপসারনের কাজ শুরু কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ ও পৌর সভা। এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন পর্যটকসহ স্থানীয়রা।

ট্যুরিজম ব্যবসায়ী কে এম বাচ্চু বলেন, জোয়ারের সময় পানির নিচে তলিয়ে থাকা কংক্রিটের ভাংঙ্গা অংশে আগাত পেয়ে অনেক পর্যটকরা আহত হয়েছেন। আহত পর্যটকদের কুয়াকাটা সৈকতের প্রতি নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হতো। এখন আর কোন পর্যটক দূর্ঘটনায় পতিত হবার সম্ভাবনা নেই। কংক্রিটের ভাংঙ্গা অংশ সরিয়ে ফেলায় নিরাপদ সৈকত হিসেবে পরিচিতি পাবে কুয়াকাটা এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। কুয়াকাটা পৌরসভার মেয়র মো.আনোয়ার হাওলাদার জানান, নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন সৈকত গড়তে তিনি সহ পৌর পরিষদের সকল সদস্যরা এক যোগে কাজ করবেন।

এরই ধারাবাহিকতায় সৈকতের কংক্রিট অপাসারণ করা হয়েছে। এরপর থেকে কোন পর্যটক সমুদ্রে গোসল করতে নেমে আহত হবে না বলে তিনি দাবী করেন। ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোন’র সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো.সোহরাফ হোসাইন জানান, শুধু পর্যটকদের নিরাপত্তাই নয়, পর্যটকদের কাছে পরিচ্ছন্ন সৈকত উপহার দিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।

Loading