রাজনীতির মাঠে সুবিধা করতে না পেরে এখন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের উস্কে দিতে চাইছে বিরোধী দল। এ জন্য অবসরপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মচারীকে নিয়ে সাজানো হয়েছে পরিকল্পনার ছক। বিভিন্ন দাবিতে কর্মচারীদের আন্দোলন কর্মসূচীকে পুঁজি করে তাদের তৎপরতাও বেড়ে গেছে। সংশ্লিষ্টদের সাথে আলাপে বেরিয়ে এসেছে এ সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গেছে, বাংলাদেশ সচিবালয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাথে অন্যান্য সকল দপ্তরের পদবী ও বেতন বৈষম্য নিসনের দাবিতে আন্দোলন করছে কর্মচারীদের একটি অংশ।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!এ ব্যাপারে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নের দাবিতে গত বছরের ১৭-২৪ ডিসেম্বর সারাদেশে দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করা হয়। ওই সময় সরকার বিরোধী একটি গ্রুপ এ আন্দোলনে একাত্ম হয়ে নিজেদের টার্গেট পূরণে মওকা খুঁজে পায়।
অভিযোগ মতে, বিএনপি-জামায়াত জোট সমর্থিত বিতর্কিত নেতা সালেহউদ্দিন সেলিম প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ’ শুরু থেকেই আন্দোলনকে ভিন্নখাতে নেয়ার অপতৎপরতা শুরু করে। তারা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের দাবিকে সরকার বিরোধী আন্দোলনে রূপ দেয়ার অপচেষ্টা চালায়। গত ২৪ ডিসেম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে সমন্বয় পরিষদের ব্যানারে আয়োজিত সভায় বিভিন্ন জনের বক্তব্যে সেটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ওইদিন সমন্বয় পরিষদের তথাকথিত মহাসচিব নোমান আল আজাদ এবং অবসরপ্রাপ্ত আরেক নেতা মো. আবদুল হান্নান সরকার বিরোধী নানা উত্তেজক বক্তব্য প্রদান করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ’ দীর্ঘদিন ধরেই প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের উস্কে দিতে নানা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। পরিষদের বর্তমান সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন বিএনপি আমলের সুবিধাভোগী। তিনি বিএনপির সাবেক মহাসচিব মান্নান ভ‚ইয়ার ভগ্নিপতি। সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ থেকে ২০১৫ সালে অবসর নিলেও রাজনৈতিক কারণে এখনো পদ দখল করে আছেন। একইভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারী মো. আবদুল হান্নান দুই বছর আগে, মৎস্য ভবনের কর্মচারী সেলিম ভূঁইয়া ৩-৪ বছর আগে অবসরে গেলেও নেতৃত্বে বহাল থেকে সরকার বিরোধী নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছেন। এদের সঙ্গে যোগসাজশ রয়েছে শিক্ষা ভবনের কর্মচারী নেতা এবং বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মো. বেলাল হোসেন, উচ্চমান সহকারী মো. নজমুল হোসেন, পি.এ. হাবিব, নিজামুল কবির, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মো. কামাল হোসেন প্রমুখ।
![]()