৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:৪১
শিরোনাম:

সমুদ্রের ৬০ ফুট নীচে গিয়ে মালাবদল করলেন পাত্র-পাত্রী

সমুদ্রের ৬০ ফুট নীচে গিয়ে মালাবদল করলেন পাত্র-পাত্রী। পেশায় দুইজনেই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের চেন্নাইয়ের কোয়েম্বাটুরে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তবে হঠাৎ করে নয়, একেবারে পুরোহিতের সময়ের নিয়ম মেনে বিয়ে সারলেন দুজনে। তামিলনাড়ুর নীলকরাই সমুদ্র সৈকতে দাঁড়িয়ে বিয়ের জন্য অপেক্ষা করছিলেন চিন্নাডুরাই এবং শ্বেতা। শুভসময় আসার সঙ্গে সঙ্গেই তারা দুজনেই একসাথে সমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এসময় তাদের পরণে ছিল বিয়ের পোষাকই।

কনে শ্বেতা কোয়েম্বাটুরের বাসিন্দা। সে জানিয়েছে, তার হবু স্বামী যখন সমুদ্রের জলের নীচে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল তখন তিনি রীতিমতো অদ্ভুত বোধ করেছিলেন এবং ভয়ও পান। তবে হবু স্বামী অবশেষে তাকে ব্যাপারটা বোঝাতে সক্ষম হয় ও জলের তলায় বিয়েতে রাজি হয় শ্বেতা।

তিরুভান্নমালাই এ বসবাসকারী বর চিন্নাদুরাই জানান, তিনি ছোট থেকেই সাঁতার কাটতে আগ্রহী এবং তিনি ১২ বছর থেকে স্কুবা ডাইভিং করছেন। তিনি বলেন, যেখান থেকে তিনি সাঁতার শেখেন, সেই ট্রেনারই তাকে এভাবে বিয়ে করার পরামর্শ দিয়েছিল। আর সেটা তার পছন্দও হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, আমরা পানির তলায় ৪৫ মিনিট সময় কাটিয়েছি। তারা পানির নীচেই একে অপরকে মালা পরিয়ে মালাবদল করেন। সমুদ্রকে সাক্ষী মেনে তারা বিয়ে করেন এবং সাতপাঁকে বাঁধাও পড়েন।

এর আগে একদিন বিয়ের তারিখ ঠিক হওয়ার পরেও সমুদ্র শান্ত না থাকায় বিবাহ সম্পন্ন হয়নি। তারপর আবার তারিখ ঠিক করা হয়। সোমবার ভোর সাড়ে ৭ টার দিকে যখন সমুদ্র শান্ত ছিল, তখন দুজনেই ডুব দিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে।

তবে হটাত করে সম্পন্ন হওয়ায় বন্ধুবান্ধব কাউকেই দাওয়াত দিতে পারেননি এই দম্পতি। পরে একসময় তাদের বাসায় দাওয়াত দিয়ে খাওয়াবেন বলেও জানান তারা।

Loading