৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:২৯
শিরোনাম:

বিএসএফ’র গুলিতে আহত ভারতীয় যুবককে হস্তান্তর বিজিবির

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে নিজ দেশের ভূ-খণ্ডে বিএসএফ’র গুলিতে আহত হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা ভারতীয় নাগরিক মিলন মিয়াকে (২০) রোববার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এ সময় বাংলাদেশের ফুলবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাজীব কুমার রায় এবং নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রওশন কবির উপস্থিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ৯৪৬-এর ৩ এস সাব-পিলারের পার্শ্ববর্তী জিরো লাইন ঘেঁষে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং বিএসএফ’র কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মিলন মিয়াকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে বিজিবি। ঘণ্টাব্যাপি অনুষ্ঠিত এই পতাকা বৈঠকে বিজিবি পক্ষে ১৫ ব্যাটালিয়নের অধিনস্ত কাশিপুর কোম্পানি সদর দফতরের কমান্ডার ইকবাল হোসেন এবং বিএসএফের পক্ষে ১৯২ ব্যাটালিয়নের অধিনস্ত ঝিকরী কোম্পানি সদর দফতরের কমান্ডার নীতিশ কুমার নেতৃত্ব দেন।

এদিকে ওই সীমান্ত এলাকার দায়িত্বে থাকা লালমনিরহাটস্থ ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর দফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তি মারফত জানানো হয়েছে, শনিবার (১০ এপ্রিল) বাংলাদেশের অনন্তপুর সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ৯৪৬ এর ৪ এস সাব-পিলারের উল্টোদিকে ভারতের ৭০ গজ অভ্যন্তরে চোরাকারবারীদের লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করে বিএসএফ। এতে কুচবিহার জেলার সাহেবগঞ্জ থানার সাইদালের কুটি গ্রামের নো-ম্যান্স ল্যান্ডের অধিবাসি জগু আলমের ছেলে মিলন মিয়া আহত হয়। আহত অবস্থায় মিলন মিয়া পালিয়ে বাংলাদেশের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের দোয়ালিপাড়া এলাকায় অবস্থিত তার নানার বাড়ি দিকে চলে আসে। এরপর তাকে দোয়ালিপাড়া এলাকার একটি শুষ্ক ডোবা থেকে আটক করে রোববার (১১ এপ্রিল) ভোররাত ৪টার দিকে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে নাগেশ্বরী থানার পুলিশ।

লালমনিরহাটস্থ ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল এসএম তৌহিদুল আলম ভারতীয় ওই যুবককে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফের কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Loading