বিএসএমইউতে করোনা টেস্টের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে, এছাড়া রাজধানীর অন্যান্য হাসপাতালে আইসিইউ সংকট ও করোনা টেস্টের জন্য রয়েছে দীর্ঘ লাইন।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!দেশে এখন করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়ছেন ১ লাখ ২ হাজার ১২৮ জন। এর মধ্যে হাসপাতালের সাধারণ শয্যা ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬ হাজার ১৪২ জন। আক্রান্তের মধ্যে ৯৫ হাজার ৯৮৬ জন অর্থাৎ ৯৪ ভাগ বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা মহামারীর শুরুর দিকে বলেছিল, আক্রান্তের ২০ শতাংশের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দরকার হতে পারে। আক্রান্তদের আইসিইউ প্রয়োজন হলেই বাধে বিপত্তি। হাসপাতালের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে সিট মিলছে না আইসিইউর।
আইসিইউর একটি সিটের জন্য হাসপাতালের দুয়ারে ঘুরতে ঘুরতে রাত পেরিয়ে যাচ্ছে কারো কারো। অনেক সময় পথেই নিভে যাচ্ছে জীবনপ্রদীপ। প্রিয়জনের আর্তনাদে ভারী হয়ে ওঠছে চারপাশের বাতাস। বুধবার করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন ৯৬ জন, বাড়িতে মারা গেছেন ২ জন। করোনা আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নেওয়ারা টেলিমেডিসিন ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে সেবা নিচ্ছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসূত্রে জানা যায়, বুধবার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৪ হাজার ৯৯৫টি আর পরীক্ষা করা হয়েছে ২৪ হাজার ৮২৫ জনের শরীরে করোনার জীবাণু পাওয়া গেছে। প্রতিদিনই আক্রান্ত বাড়ছে। আক্রান্তের অধিকাংশ বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিলেও বাকিদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো। এপর্যন্ত পরীক্ষা করা হয়েছে ৫০ লাখ ৯৫ হাজার ৬১৩ জনের। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩৭ লাখ ৯৭ হাজার ২৪৮ জনের আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১২ লাখ ৯৮ হাজার ৩৬৫ জনের।
এদিকে ঢাকার সরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে মাত্র ৫টি আইসিইউ ফাঁকা ছিল। সরকারি হাসপাতালে ১৪২টি আইসিইউর মধ্যে ১৩৭টিতে রোগী ভর্তি ছিল। রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে মাত্র একটি আর কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে ৪ টি আইসিইউ ফাঁকা ছিল। রাজধানীর সরকারি হাসপাতালে সাধারণ শয্যা আছে ২ হাজার ৬০৮টি। এর মধ্যে রোগী ভর্তি আছে ২ হাজার ৩১৩টি এর মধ্যে শুন্য ২৯৫টি শয্যা খালি।
![]()