২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:৫৮
শিরোনাম:

নতুন আঙ্গিকে আসছে হেফাজত, বাদ পড়ছেন বাবুনগরী-মামুনুলরা

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সহিংস ঘটনার পর মামলার জালে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা কোনঠাসা হয়ে পড়ে। ওই সময়ে গ্রেপ্তার এড়াতে বেশিরভাগ নেতা গা ঢাকা দেন। তবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে বাধাগ্রস্ত করতে পরিকল্পিতভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংস ঘটনায় জড়ায় দলটির নেতাকর্মীরা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সর্বশেষ সোনারগাঁওয়ে রিসোর্টকান্ডে তাদের মুখোশ আবারও উন্মোচিত হয়। হেফাজত নেতা মামুনুলের একাধিক বিয়ে নিয়েও সংকটে পড়ে দলের ইমেজ। এসব ঘটনায় ইতোমধ্যে হেফাজতের শীর্ষ পর্যায়ের ১৩ নেতা গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তার আতঙ্কে রয়েছেন আরও হেভিওয়েট অন্তত ৩৫ নেতা। ইসলামী সমমনা অন্য দলগুলোও হেফাজতের কর্মকান্ড নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে।

এসব ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে নতুন প্লাটফরম গড়তে চাইছে একটি গ্রæপ। তারা চাইছে যেহেতু হেফাজতে ইসলাম কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। তাই ইসলাম প্রচার নিয়েই থাকতে জান তারা। এক্ষেত্রে বাদ পড়তে পারেন হেফাজত আমির বাবু নগরিসহ তার অনুসারী অন্তত দুই ডজন নেতা। গেয়েন্দা সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

অপর একটি সূত্র জানায়, বর্তমানে ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওয়াজ মাহফিলের প্রবনতা বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে। একেক মাওলানা তার মনগড়া মতবাদ দিয়ে ইসলামকে নানাভাবে উপস্থাপন করছে। একে বিভ্রান্ত হচ্ছেন সাধারন মুসল্লিরা। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মও প্রকৃত ইসলাম সম্পর্কে ধারণা পাচ্ছেনা। এ সমস্যা সমাধানে সরকার একটি বোর্ড গঠন করতে যাচ্ছে। এই বোর্ডের অনুমতি নিয়ে ওয়াজ মাহফিল করতে হবে। যেসব মাওলানা ওয়াজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করবেন তারা এই বোর্ডের অনুমতি চাইবেন। পেলে ওয়াজ করেতে পারবেন, না পেলে পারবেন না।

 

Loading