২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ২:২৫
শিরোনাম:

ঈদের দিনেও বাড়ি ফিরছে মানুষ

একমাস সিয়াম সাধনার পর আজ পবত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে দেশের মানুষ। গত কয়েকদিনে, বিশেষ করে মঙ্গলবারের (১১ মে) পর থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্তও স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে লকডাউন উপেক্ষা করে দলে দলে ছুটে গেছেন গ্রামে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তবে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও নানা কারণেই অনেকে এখন পর্যন্ত নিজ এলাকায় যেতে পারেনি। পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের একনজর দেখতে তাই ঈদের দিনও গ্রামের উদ্দেশ্যে সড়কে এসেছেন অনেকে। নানাভাবে গাড়ি বদল করে করে, কখনোবা হেঁটেই যেতে হচ্ছে গন্তব্যে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে দেখা যায়, অনেকেই বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে এসেছেন। এখান থেকে কেউ পাটুরিয়া ফেরিঘাট, কেউ টাঙ্গাইলের পাকুটিয়া ও নাগপুর পর্যন্ত বাসে যেতে পারেন। অনেকে উত্তরবঙ্গের গাড়ি না পেয়ে সাভার পর্যন্ত বাসে যাচ্ছেন।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে দুই সিটে যাত্রী নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় লোকাল বেশকিছু পরিবহন। তারা ভাড়াও নিচ্ছে দ্বিগুণ। ২০০ থেকে শুরু করে আরও বেশি টাকা করে নিচ্ছে জনপ্রতি।

তাছাড়া গাবতলী থেকে পাটুরিয়া ফেরিঘাটে প্রাইভেটকারে জনপ্রতি নিচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা করে। গাবতলী বাস টার্মনাল থেকে টাঙ্গাইলের পাকুটিয়া, নাগপুরের উদ্দেশে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যাচ্ছে ঢাকার রাস্তায় চলা কিছু লোকাল পরিবহন। তারাও জনপ্রতি ভাড়া নিচ্ছে ২০০ টাকা করে। যাত্রীরা বলছে, স্বাভাবিক সময়ে পাকুটিয়া পর্যন্ত ১২০ থেকে ১৫০ টাকা করে ভাড়া নেয় এসবি লিংক। আজ তারা ২০০ টাকা করে নিচ্ছে।

গাবতলী থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে প্রাইভেটকার ও হায়েস গাড়িও ছেড়ে যাচ্ছে। এখান থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা করে ভাড়া নিচ্ছে হায়েস। বনপাড়া পর্যন্ত নিচ্ছে ১২০০ টাকা করে। এছাড়া রংপুর, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, বগুড়াসহ দেশের উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে প্রাইভেটকার ও হায়েস গাড়ি যাত্রী নিয়ে ছুটছে।

পরিবার নিয়ে টাঙ্গাইল যাওয়ার জন্য গাবতলী বাস টার্মিনালে অপেক্ষা করছিলেন মো. আসাদুল। এখান থেকে টাঙ্গাইলের পাকুটিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় এসবি লিংক পরিবহন। তিনি জানান, ঢাকায় তাদের একটি কসমেটিকসের দোকান আছে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত তারা দোকান খোলা রেখেছেন। তাই আজ ঈদের দিন গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।
মো. শফিকুল ইসলাম নামের আরেক যাত্রী জানান, তিনি চিল্লায় ছিলেন। গতকাল তার চিল্লা শেষ হয়েছে। তাই তিনি সিরাজগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন। তিনি আরও জানান, বাস চলছে না। তার পক্ষে বাড়তি ভাড়া দিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই তিনি ভেঙে ভেঙে বাড়ি ফিরছেন।

সূত্র : জার্নাল অনলাইন, জাগোনিউজ

Loading