২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:০১
শিরোনাম:

উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করলো রাবির ‘অবৈধ’ নিয়োগপ্রাপ্তরা

কর্মস্থলে যোগদান করানোর দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রুটিন দায়িত্বে থাকা উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়াসহ প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে সদ্য এডহকের নিয়োগপ্রাপ্তরা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সোমবার (৩১ মে) দুপুর দেড়টা থেকে নিয়োগপ্রাপ্তরা উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে অবস্থান করছেন। কক্ষে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আব্দুস সালাম অবরুদ্ধ আছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকাল থেকে ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয় নিয়োগপ্রাপ্ত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। বেলা এগারোটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনদের সঙ্গে প্রশাসনের মিটিং চলছিলো। সেসময় নিয়োগ পাওয়া ছাত্রলীগ নেতারা উপস্থিত হয়ে তাদের যোগদানের অনুমতি চান। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে চাকরি পাওয়াদের মধ্যে উচ্চবাক্য বিনিময় হয়। পরে ছাত্রলীগ নেতারা যোগদান করতে না দিলে যাবেন না বলে অবস্থান নিলে রাবি প্রশাসন জরুরি সভায় বসেন। সভা শেষে ফের চাকরি পাওয়া নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসে প্রশাসন। আলোচনায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে যোগদানের অনুমিত দেওয়া সম্ভব নয় জানালে চাকরি পাওয়া নেতারা ফের উপাচার্যসহ প্রশাসনের সকলকে অবরুদ্ধ করেন।

গত ৬ মে রাবির সাবেক উপাচার্য আব্দুস সোবহান তার শেষ কর্ম দিবসে ১৩৭ জনকে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অ্যাডহকের ভিত্তিতে অবৈধভাবে নিয়োগ দেন। পরে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি তাদের নিয়োগ অবৈধ উল্লেখ করে বাতিলের সুপারিশ করেন।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও রাবি ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান সুমন বলেন, আমরা গত ৬ মে যোগদান করেছি। ক্যাম্পাস খোলায় আমরা নিজ দফতরে যোগদান করতে এসেছি। কিন্তু রুটিন দায়িত্বে থাকা উপাচার্য নিয়ম বহির্ভূতভাবে যোগদানে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। যদিও তিনি বলছে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছে কিন্তু তারা কোনো ডকুমেন্টস দেখাতে পারেন নি। তাই আমরা যোগদানের দাবিতে অবরোধ করছি।

রুটিন উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা বলেন, উপাচার্য সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই নিয়োগকে অবৈধ ঘোষণা করে তদন্ত কমিটি করেছিল। তদন্ত শেষ হয়েছে কিন্তু সরকার কোনো সিদ্ধান্ত এখনো নেয়নি। সে জন্য সরকারের নির্দেশ ভঙ্গ করার ক্ষমতা আমার নেই।

Loading