২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:১৩
শিরোনাম:

চলতি মাসেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার দাবি ইসলামী আন্দোলনের

সব কিছু খুলে দিলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সরকারের ‌দূরভিসন্ধিমূলক ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তিনি বলেন, খোড়া অজুহাত দেখিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে রেখেছে সরকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখলেও অনেক কিছু খুলে রেখেছে, যা খোলার কথা নয়। শতভাগ যাত্রী নিয়ে লঞ্চ, বাস, ট্রেনসহ সব ধরনের গণপরিবহন চলছে। শপিংমল, সিনেমা হল, হোটেল-রেস্তোরাঁ, পর্যটন কেন্দ্র খুলে দেওয়া হলো। অথচ ৫১৯দিন ধরে বন্ধ রাখা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। সরকার দাবি করেন তারা জনবান্ধব। কিন্তু কোনো জনবান্ধব সরকারের দ্বারা এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব নয়। সরকারের এই সিদ্ধান্ত ষড়যন্ত্রমূলক।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা নাগরিকের মৌলিক অধিকার। বিশ্বের বুকে দেশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে স্বজাতিকে শিক্ষিত ও দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য শিক্ষার অধিকার আদায় করতে রাজপথে আন্দোলন করতে হচ্ছে। এই আন্দোলন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় লজ্জার। দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। ভেঙে পড়েছে শিক্ষা ব্যবস্থা। গত ১৭ মাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব বিলীনের পথে। শিক্ষকরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সেদিকে সরকারের খেয়াল নেই। এভাবে চলতে দেওয়া যায় না।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চলতি মাসের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া না হলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। আন্দোলনের মাধ্যমেই সরকারকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে বাধ্য করা হবে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল মহানগরের সিনিয়র সহ-সভাপতি নাসির আহমেদ কাউসারের সভাপতিত্বে মাববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বরিশাল জেলা সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম, বরিশাল মহানগর সহ-সভাপতি মাওলানা সৈয়দ নাসির আহমাদ কাওছার, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কে এম শরীয়াতুল্লাহ প্রমুখ।

Loading