৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৮:১৮
শিরোনাম:

দিনাজপুরে মা-ছেলেকে অপহরণ মামলা ডিবিতে হস্তান্তর

আদালতে একজন আসামি, বাদী ও অপর ৩ সাক্ষীর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী রেকর্ড দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে মা ও ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় চেষ্টার অভিযোগে পুলিশ সিআইডির একজন এএসপি ও সিআইডি’র অপর দুইজন সদস্যসহ ১০জনকে আসামি করে দায়েরকৃত মামলা চিরিরবন্দর থানা থেকে পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করে দিনাজপুর ডিবি পুলিশের ওসি মোস্তাফিজার রহমান জানান, এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা পেয়েছি, কাগজপত্র এখনও পাইনি।তিনি জানান, ১০ আসামির মধ্যে গ্রেফতারকৃত ৫ জনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত নতুন কেউ গ্রেফতার হয়নি।

সিআইডি পেল নতুন প্রধান, আরও ৫ সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, অপহরণ থেকে উদ্ধারকৃত জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে বুধবার চিরিরবন্দর থানায় ১০ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে। এই মামলায় রংপুর সিআইডি’র এএসপি সারোয়ার কবীরসহ ৫ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার বিকেলে দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিশির কুমার বসুর আদালতে সোপর্দ করা হয়।

দিনাজপুরের কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. মনিরুজ্জামান জানান, বুধবার সন্ধ্যায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মামলার অন্যতম আসামি ফসিউল আলম পলাশ দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিশির কুমার বসুর আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী প্রদান করেন। এরপর গ্রেফতারকৃত ৫ আসামিকেই কারাগারে পাঠানো হয়। এছাড়াও একই আদালতে মামলার বাদী জাহাঙ্গীর আলম, তার মা অপহরণ থেকে উদ্ধারকৃত জহুরা খাতুন এবং আরও অপর ২ জন সাক্ষীর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী রেকর্ড করা হয়।

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে মা ও ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় চেষ্টার অভিযোগে পুলিশ সিআইডির একজন এএসপি ও সিআইডি’র অপর ২ জন সদস্যসহ ৫ জনকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাদের আটক করা হয় এবং অপহৃত মা ও ছেলেকে উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে অপহৃত জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে বুধবার চিরিরবন্দর থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ এই মামলায় ৫ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে বিকেলে আদালতে সোপর্দ করে।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন- রংপুর সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবীর, এএসআই হাসিনুর রহমান, কনস্টেবল আহসানুল হক ফারুক ও মাইক্রোবাস চালক হাবিব। পরে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ফসিউল আলম পলাশ নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।

আর যাদের অপহরণ করা হয়েছিলো বলে দাবি করা হয়েছে তারা হলেন- দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার লুৎফর রহমানের স্ত্রী জহুরা খাতুন (৪২) ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর (২৫)।

Loading