৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:২৮
শিরোনাম:

শরনখোলায় জমি বিবাদে ঘেরের মাছ লুট!

নইন আবু নাঈম, বাগেরহাট ঃ বাগেরহাটের শরনখোলায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে স্থানীয় এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর ঘেরের প্রায় ৫ লাখ টাকার মাছ প্রকাশ্যে লুট করে নিয়েছে প্রতিপক্ষরা । ঘটনাটি ঘটেছে, ২৮. নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) দুপুরে উপজেলার ঝিলবুনিয়া গ্রামে । একই গ্রামের বাসিন্দা মো ঃ মোসলেম আকনের ছেলে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী মোঃ জয়নাল আবেদীন (৫৫), অভিযোগ করে বলেন ,আমার বসত বাড়ি সংলগ্ন ৯ নং রায়েন্দা মৌজার -১০১২ ও ১০৯৬ নং দাগের উপর থেকে প্রবাহিত
একটি নালায় কিছু দেশীয় প্রজাতির মাছ চাষ করার জন্য চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল উপজেলা সদর ৩নং রায়েন্দ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নিজ নামে ৩ বছরের ইজারা নেই ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

পরবর্তীতে গত ৮ মাস পূর্বে ওই নালাটিতে বিভিন্ন প্রজাতির ১৫ হাজার মাছের পোনা অবমুক্ত করি । মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে মাছ গুলো অনেক বড় হয়ে যাওয়ায় প্রতিপক্ষ আলী আজীম ওই মাছ গুলোর দিকে লুলোপ দৃষ্টি ফেলে এবং জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধ মেটাতে পানি নষ্ট হচ্ছে এমন কাল্পনিক অভিযোগ উত্থাপন করে সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট একটি
অভিযোগ দাখিল করেন । পরে বিষয়টি নির্বহী কর্মকর্তা সরেজমিনে দেখে নালায় পুতে রাখা ডালপালা সরিয়ে দিতে বলেন এবং মাছ গুলো আমাকে ধরে নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন । কিন্তু আমি বাড়িতে না থাকায় এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষ আলী আজীম সহ তার ৮/১০ জন সহযোগী নিয়ে ঘেরটির সম্পূর্ন মাছ লুটে নেয় । জয়নালের স্ত্রী হেরিয়া বেগম ,
প্রতিবেশি সনিয়া বেগম ,আঃ আউয়াল , বাদল খান ও রফিকুল মেল্লা সহ স্থানীয়দের অনেকে বলেন , ইউ এন ও সাহেব ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার পর আলী আজীমের নেতৃত্তে মাছ লুট শুরু হয় ।

ওই সময় আমরা বাঁধা দিতে গেলে তারা আমাদের দেশীয় অস্ধসঢ়;্র নিয়ে ধাওয়া করে । তাই আর প্রতিবাদ করতে পারিনি।এছাড়া অসুস্থতার কারনে ওইদিন ঘের মালিক জয়নাল খুলনায় ছিলেন । অপরদিকে ,আলী আজীম বলেন ,জমি বিবাদের ঘটনা নয় , খালে মাছ চাষ করায় স্থানীয়দের গোসল করতে অসুবিধা হওয়ায় আমি অভিযোগ করি এবং নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে মাছ গুলো ধরা হয়েছে । তবে মাছ গুলো আমি নেইনি । এতিম খানা সহ এলাকার বিভিন্ন অসহায় মানুষের মাঝে বিতরন করা হয়েছে । ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন বলেন , নিয়ম মেনেই ওই ব্যবসায়ীকে নালাটি ইজারা দেওয়া হয়েছিল কিন্তু মাছ গুলো লুট হওয়াটা দুঃখ জনক । এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সর্দার মোস্তফা শাহীন জানান ,সরকারী খাল কিংম্বা জলাশয় কেউ ইজারা দিতে পারেন না । ওই ঘের ব্যবসায়ীর বিরুদ্বে অভিযোগ পেয়ে তাকে কয়েক দফা নোটিশ করা হলেও তিনি তা আমলে নেয়নি । তাই নালাটি উনমুক্ত করে দেওয়া হয়েছে মাত্র।

Loading