বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে আমরা বিএনপি যাব না, কথা পরিষ্কার। এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে দেশের জনগণ যাবে না। নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না, নির্বাচন করার চেষ্টা করলেও প্রতিরোধ করা হবে ও বাধা দেওয়া হবে। সেই বাধার মুখে আপনারা টিকে থাকতে পারবেন না।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আ স ম হান্নান শাহ স্মৃতি সংসদ আয়োজিত স্মরণ সভায় এমন হুংকার দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সামনে আন্দোলন আসছে, সরকারের পতন ছাড়া গণতন্ত্রের মুক্তি হবেনা, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি হবেনা। নির্বাচনের সময় সরকারের সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা করেন মির্জা আব্বাস।
মির্জা আব্বাস বলেন, আপনার বারবার বলছেন সার্চ কমিটি সার্চ কমিটি, আপনারা স্যাটেলাইট লাগাইছেন ওইখান থেকে একটা লইয়া লননা। সার্চ কমিটির সাংবিধানিক কোনো ভিত্তি নাই, আপনারা সার্চ কমিটির মাধ্যমে করেন আর অন্য কোনো মাধ্যমে করেন বিএনপি এর মধ্যে নেই।
আন্দোলনের বিষয়ে মর্জা আব্বাস বলেন, যখন ঘোষণা আসবে সবাই রাজপথে ছড়িয়ে পড়বেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য গয়েশ্বর রায় বলেন, ‘এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন নয়, বরং নির্বাচন হলে তা প্রতিহত করতে হবে। যে যার অবস্থান থেকে এই প্রতিশ্রুতি দিলেন তাদের সবাইকে রাজপথে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি’।
আরও পড়ুনঃ ঐক্যবদ্ধ জোট করে সরকার পতনের আহ্বান ফখরুলের
পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বর্তমান সময় দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দুঃসময়, একে একে সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিয়েছে সরকার’।
এ সময় সরকারের ১৭ জন বিচারপতি নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, সাময়িক বিচারপতি হিসেবে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের ন্যূনতম যোগ্যতা নেই।
বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর সরকার হামলা করেছে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দলীয় নেতাকর্মীরা এলাকায় থাকতে পারছেন না, এমনকি বৃদ্ধরাও এলাকায় থাকতে পারেন না।
ভোটের পরিস্থিতি নিয়ে ফখরুল বলেন, কেউ যাতে ভোট দিতে না পারে এমন পরিস্থিতি তৈরী করেছে সরকার। এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে দুর্নীতি নেই, মেগা প্রজেক্ট মেগা দুর্নীতি। আওয়ামী লীগ লুটপাট সমিতিতে পরিণত হয়েছে, শুধু বিএনপির জন্য নয়, জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সরকারের পতন ঘটাতে হবে।
অনুষ্ঠানে হান্নান শাহর ছেলে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, খাইরুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, আমান উল্লাহ আমানসহ বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
![]()