২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ভোর ৫:৪৫
শিরোনাম:

শুক্রবার থেকে বাস-ট্রাক বন্ধের ঘোষণা

ব্রিজের টোল ও জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য পণ্য পরিবহণ বন্ধ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান ট্যাংকলরি প্রাইম মুভার মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, ট্যাংকলরি, প্রাইম মুভার মালিক শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক মো. রুস্তম আলী খানের সভাপতিত্বে সমন্বয় পরিষদের ওই সভা সংগঠনের তেজগাঁও কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বঙ্গবন্ধু সেতু ও মুক্তারপুর সেতুর টোলের হার বৃদ্ধি এবং জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে ৫ নভেম্বর শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পণ্য পরিবহণ সারা দেশে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

সভায় বক্তব্য রাখেন সমন্বয় পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ আবদুল মান্নান, যুগ্ম আহ্বায়ক হাজি মো. তোফাজ্জল হোসেন মজুমদার, সদস্য সচিব তাজুল ইসলাম,

সমন্বয়ক হোসনে আহম্মেদ মজুমদার, সদস্য হাসানুল কবির হাসান, আবুল কালাম আজাদ, জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

সভায় নেতারা বলেন, গত ২ নভেম্বর হঠাৎ করে কারও সঙ্গে আলোচনা না করেই অযৌক্তিভাবে বঙ্গবন্ধু সেতু ও মুক্তারপুর সেতুর টোল ২৫৭ থেকে ৩০০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। একদিন যেতে না যেতেই আবার পরিবহণের জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

নেতারা বলেন, দীর্ঘ দুই বছর ধরে করোনার দীর্ঘ মেয়াদের প্রভাবের কারণে বেশিরভাগ পরিবহণ বন্ধ ছিল। যখন করোনার প্রভাব কাটিয়ে সাধারণ পরিবহণ মালিকরা গাড়ি সচল রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে ঠিক তখনই মড়ার উপর খাঁড়ার ঘার মতো একের পর এক অযৌক্তিক কর ও টোল বৃদ্ধি এবং জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করে পরিবহন মালিকদের ব্যবসায় বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং তার সঙ্গে পরিবহণ ভাড়াও বৃদ্ধি পাবে। যেখানে টোল কমানোর কথা, সেখানে টোল না কমিয়ে বরং ২৫৭ শতাংশ পর্যন্ত টোল বাড়ানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, সরকার বিগত আট বছর ধরে বিশ্ববাজারে যখন জ্বালানি তেলের দাম তলানিতে ছিল, তখন সরকার জ্বালানি তেলের দাম কমায়নি।

Loading