২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:০৪
শিরোনাম:

যৌতুকের জন্য স্বামীর নির্যাতনে বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রীর মৃত্যু

চট্টগ্রামে যৌতুকের জন্য স্বামীর নির্যাতনে মাহমুদা খানম ওরফে আঁখি নামে এক ছাত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর স্বামী আনিসুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আঁখি নগরের একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবির শিক্ষার্থী ছিলেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বড় ভাই নিজাম উদ্দিন বাদী হয়ে গতকাল রোববার রাতে নগরের চাঁদগাঁও থানা একটি মামলা করেন। এ হত্যা মামলায় আনিসুলকে আসামি করা হয়েছে। মাহমুদার স্বামীর আনিসুল ইসলাম পেশায় আইনজীবী।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির বলেন, স্ত্রীকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগে স্বামী আনিসুলকে আটক করা হয়। ঘটনাস্থল চাঁদগাঁও থানা এলাকা হওয়ায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে সেখানে মামলা করা হয়েছে। এই মামলায় আনিসুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলার বাদী নিজামের অভিযোগ, যৌতুকের জন্য স্বামী আনিসুলের নির্যাতনে মাহমুদার মৃত্যু হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে আনিসুল বা তার পক্ষের কারও বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

নিহত মাহমুদার ভগ্নিপতি আবুল কালাম অভিযোগ করে বলেন, দুই বছর আগে আনিসুলের সঙ্গে মাহমুদার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাকে নির্যাতন করে আসছিলেন স্বামী। গতকাল নির্যাতনের একপর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন মাহমুদা। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। মাহমুদার মৃত্যুর ঘটনায় গতকাল রাত ৯টার দিকে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে থেকে আনিসুলকে আটক করে পাঁচলাইশ থানা–পুলিশ।

চাঁদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুর রহমান বলেন, ‘মাহমুদার ভাই নিজামের করা মামলায় আসামি আনিসুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আজ দুপুরে আদালতে হাজির করে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে মাহমুদার খাদ্যনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। নির্যাতনের কারণে এমনটা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আজ দুপুরে ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তার মৃত্যুর কারণ আরও স্পষ্ট হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

Loading