২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১১:০৪
শিরোনাম:

গাড়ির সিলিন্ডারে মিলল ৯১ হাজার পিস ইয়াবা!

নীলফামারী জেলার সদর থানার বড় বাজার ট্রাফিক মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি টয়োটা জিপ গাড়ির সিলিন্ডার থেকে ৯১ হাজার ৮৫ পিস ইয়াবা বড়িসহ একজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিট। তার নাম ইমরান হোসেন (৪২)।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এন্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার (মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস) মোহাম্মদ আসলাম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিভিন্ন জেলায় গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহকালে এন্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ)একটি দল নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল শুক্রবার রাতে নীলফামারী জেলার সদর থানার বড় বাজার ট্রাফিক মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি টয়োটা জিপ গাড়ির সিলিন্ডার থেকে পাচারকালে ৯১ হাজার ৮৫ পিস ইয়াবা বড়ি জব্দ করে। এ সময় একজন মাদক কারবারিকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

এন্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার আরও জানান,গ্রেপ্তারকৃত ইমরান হোসেন ২১ ডিসেম্বর কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন সাবরাং এলাকার জুবায়ের জুয়েলের (৩০)কাছ থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করতে যান। জোবায়ের টেকনাফ থানার সাবরাং এলাকার চিহ্নিত ‘মাদক সম্রাট’। নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা হয়ে নীলফামারী জেলাসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তার ইয়াবা পাচারের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে। বগুড়া জেলার সদর থানার ফুলবাড়ি এলাকার মোঃ বিপুল (৩৬) ও নীলফামারী জেলার সদর থানার সুজন (৩৫)এবং তাদের সহযোগীগণ বগুড়াসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাসমূহে ইয়াবা পাচারের সঙ্গে যুক্ত। তাদের নির্দেশে গ্রেপ্তারকৃত ইমরান হোসেন ইয়াবার চালান কক্সবাজারের জুবায়ের জুয়েলের কাছ থেকে এনে তাদের সরবরাহ করতেন।

তিনি জানান, এবারের চালানটি নিয়ে তিনি গতকাল কক্সবাজার থেকে রওনা দেন। মাদক সম্রাট জুবায়ের জুয়েল অভিনব কায়দায় গাড়ির গ্যাস সিলিন্ডারের ভেতরে ইয়াবা প্যাকেট করে দেন। এভাবে ইতিপূর্বেও বেশ কয়েকটি ইয়াবা চালান টেকনাফ-চট্টগ্রাম-গাজীপুর-সিরাজগঞ্জ হয়ে বগুড়া ও নীলফামারীতে সুজন ও বিপুলের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন গ্রেপ্তারকৃত ইমরান। তারা ৪ জন ও অন্যান্য কয়েকজনের সহযোগীতায় দীর্ঘদিন ধরে এভাবে টেকনাফ থেকে ইয়াবা এনে নীলফামারী, বগুড়া ও উত্তরাঞ্চলের জেলাসমূহে পাচার করে আসছিলেন।

Loading