২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৩:৩৫
শিরোনাম:

থার্টি ফার্স্ট নাইটে মাঠে থাকছে ২০৮ ট্যুরিস্ট পুলিশ

সম্প্রতি নেতিবাচক কিছু ঘটনার পরও পুরনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করতে কক্সবাজারে ছুটে আসছে পর্যটকরা। তবে থার্টি ফার্স্ট নাইটে সরকারি নির্দেশনার কারণে সৈকতে উন্মুক্ত স্থানে নেই কোনো আয়োজন। তারপরও সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্টে বুকিং হয়েছে আশানুরূপ। আর পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক মাঠে থাকছে ২০৮ জন ট্যুরিস্ট পুলিশ। আগতদের পর্যটন সুবিধা নিশ্চিতের জন্য ৭ দফা বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। এই সৈকতে দাঁড়িয়ে বছরের শেষ সূর্যাস্তকে বিদায় জানাতে প্রতিবছর ছুটে আসেন হাজারো পর্যটক। তাই সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টকে সাজানো হয় নতুন সাজে। সম্প্রতি নেতিবাচক কিছু ঘটনা ঘটেছে সৈকতের এ শহরে। যার কারণে পর্যটক সঙ্কটের শঙ্কা করেছিল অনেকে। কিন্তু তা হচ্ছে না। এবারও সৈকত শহরে ছুটে আসছে পর্যটকরা।

প্রতি বছর ইংরেজি পুরনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয় সব হোটেল ও মোটেলকে। কিন্তু এ বছর তা চোখে পড়ছে না। তবে হোটেল মোটেলে বাড়ছে রুম বুকিং। থার্টি ফার্স্ট নাইট কেন্দ্র করে প্রতিবছর তারকামানের হোটেলগুলোতে থাকে নানা আয়োজন।

হোটেল কক্স টুডে’র ম্যানেজার আবু তালেব শাহ বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইটকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারে প্রচুর পর্যটক আগমন হবে। ইতিমধ্যে আশানুরূপ বুকিং হয়েছে। আর আগত পর্যটকদের আনন্দ দিতে হোটেলের অভ্যন্তরে সংগীতানুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন থাকছে। আশা করি, পর্যটকরা বেশ আনন্দ করতে পারবে।

সী গাল হোটেলের ফ্রন্ট ডেস্ক ম্যানেজার তারেক বলেন, শতভাগ রুম বুকিং হয়েছে। হোটেলকেও সাজানো হয়েছে। আশা করি, পর্যটকরা কক্সবাজারে এসে পুরনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে ভালোভাবে বরণ করতে পারবে।

টুয়াকের সভাপতি আনোয়ার কামাল বলেন, নতুন বছরকে বরণকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে ৭০ শতাংশ রুম বুকিং হয়েছে। পর্যটকরা শুধু কক্সবাজার নয়, সেন্টমার্টিন ও ইনানীতে যাবে। যার কারণে প্রশাসনও নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, পুরনো বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করতে প্রচুর পর্যটকের আগমন ঘটবে। তাই সৈকতসহ সবখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। এছাড়াও ট্যুরিস্ট পুলিশের ২০৮ জন সদস্য সার্বক্ষণিক মাঠে থাকবে।

জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, দফায় দফায় সকল স্তরের পর্যটন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে সবার সিদ্ধান্তক্রমে কিছু উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। পর্যটকদের পর্যটন সুবিধা নিশ্চিতের জন্য ৭ দফা বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকবে পর্যটকরা।

Loading