৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:৩৯
শিরোনাম:

খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলনের সিদ্ধান্ত বিএনপির

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য বিএনপি একটি কার্যকরী আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

শনিবার সন্ধ্যায় গুলশানে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন- দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

মির্জা ফখরুল বলেন, দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ। তার চিকিৎসার জন্য জামিনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জামিন না দেওয়ায় বৈঠকে গভীর উদ্বেগ এবং অবিলম্বে তাকে মুক্তি দেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া তার মুক্তির জন্য একটি কার্যকরী আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব আরো জানান, আগামী ১৯ জানুয়ারি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্ম বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার জন্যে দলের যারা দায়িত্বে রয়েছে তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া আগামী বছর স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি পালন করার জন্য একটি উপ-কমিটি করা হয়েছে। এ কমিটি সারা বছর অর্ধশত বার্ষিকী পালন করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন।

এই উপ-কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে। কমিটির অন্যান্য সদস্য হলেন-গয়েশ্বর চন্দ্র রায়,ডক্টর মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও বেগম সেলিমা রহমান। তারা চাইলে কমিটিতে অন্যান্য সদস্য যোগ করতে পারবেন বলে জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের সম্মেলনের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ একটি পুরনো ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দল।নিঃসন্দেহে জাতি গঠনের, জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামে, গণতন্ত্রের সংগ্রামে অতীতে অনেক গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। দুর্ভাগ্যজনক ভাবে এদের হাতেই বারবার গণতন্ত্র নিহত হয়েছে।

তিনি বলেন, সকল রাজনৈতিক দলকে আমরা সবসময় সহযোগিতা করি, স্বাগত জানাই। আওয়ামী লীগের যে নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে আমরা এটাকে স্বাগত জানচ্ছি। আমরা আশা করব নতুন কার্যকরী পরিষদ অতীতের সব অপকর্ম ভুলে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য অতি দ্রুত একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন। যে নির্বাচন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে হবে।

Loading