৩০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ভোর ৫:৪৬
শিরোনাম:

হাত-পা কেটে ফেলে রাখা হলো সাংবাদিককে

হত্যা মামলার সাক্ষী হওয়ায় সিলেটের সীমান্তবর্তী কানাইঘাটে আব্দুর রব (৪৫) নামে এক সাংবাদিকের হাত-পা কাটলো সন্ত্রাসীরা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

রোববার (১৬ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের ডোনা সীমান্তবর্তী লোহাজুরি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত আব্দুর রব কানাইঘাট প্রেস ক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও স্থানীয় একটি দৈনিকের উপজেলা প্রতিনিধি। ঘটনার পর গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, সাংবাদিক আব্দুর রবকে হাসপাতালে নেওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

কানাইঘাট উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি শাহজাহান সেলিম বুলবুল বাংলানিউজকে বলেন, স্থানীয় নজরুল ইসলাম নজু হত্যা মামলার সাক্ষী হয়েছিলেন আব্দুর রব। এ নিয়ে বিরোধের জেরে সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালায়। হামলাকারীরা আব্দুর রবের হাত ও পায়ে কুপিয়ে জখম করে এবং তাকে ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাংবাদিক আব্দুর রব লোহাজুরি জামে মসজিদের নির্মাণকাজ দেখে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে এরালিগুল মসজিদের সামনের সড়কে সন্ত্রাসীরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হাত ও পায়ে জখম করা হয়েছে। হামলার সময় তার আর্তচিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সাংবাদিক আব্দুর রবের ওপর হামলাকারীরা কয়েক মাস আগে এরালীগুল গ্রামের নজরুল ইসলাম নজুকে হত্যা করে। ওই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী একই গ্রামের হারিছ আলীর ছেলে আলাউদ্দিন মড়ইয়ের নেতৃত্বে আব্দুর রবের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এছাড়াও নজু হত্যা মামলার আসামি জুনেদ আহমদ, মিকির পাড়া গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে আব্দুল কাইয়ূম, মাহিন আহমদ, একই গ্রামের হাসন রাজার ছেলে আব্দুশ শহীদ, আলাউদ্দিনের ছেলে ফখর উদ্দিনসহ আরও ৪/৫ জন হামলায় অংশ নিয়েছেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কানাইঘাট সার্কেলের এএসপি আব্দুল করিম ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জাহিদুল হক।

Loading