৩০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ভোর ৫:০৫
শিরোনাম:

চুরি করা হাঁসের দাওয়াতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন ইউপি সদস্য

ভোলার চরফ্যাশনে চুরি করা হাঁসের দাওয়াত খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে নীরব হাওলাদার নামে নবনির্বাচিত এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

গত রোববার (১৬ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের বেল্লাল মুন্সির ৭টি হাঁস চুরি করে ওই আয়োজন করেন নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যের কর্মীরা।

ভুক্তভোগী বেলাল মুন্সি অভিযোগ করে বলেন, গত রোববার রাতে আমার বাড়ি থেকে ৭টি হাঁস চুরি হয়। পরে এলাকায় খোঁজা নিয়ে জানতে পারি, আমাদের প্রতিবেশী টবগী বাড়িতে হাঁস পার্টির আয়োজন চলছে। সন্দেহ হলে স্থানীয় গ্রাম পুলিশকে খবর দিয়ে বিষয়টি জানাই।

গ্রাম পুলিশ জামাল বকশী জানান, হাঁস চুরির খবর পেয়ে টবগী বাড়ির রুহুল আমিনের বাড়ি গেছিলাম, এবং ঘরের আড়াল থেকে ইউপি সদস্যসহ সবাইকে হাঁস চুরির বিষয়ে গল্প করতে শুনেছি। পরে রুহুল আমিনের ঘরে গিয়ে হাঁসের মাংস খাওয়ার চিত্র মোবাইলে ভিডিও ধারণ করতে শুরু করলে ইউপি সদস্যসহ বেশ কয়েকজন খাওয়া রেখে পালিয়ে যায়।

এ সময় ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কালু ফকিরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হাঁস চুরির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রুহুল আমিনের ঘরে চুরি করা হাঁস রান্না করে সবাইকে দাওয়াত দিলে আমরা যাই। পরে আটক কালু ফকিরকে ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. কাসেম মিয়ার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নীরব হাওলাদার জানান, স্থানীয় রুহুল আমিনের বাসায় শীতের রাতে হাঁস পার্টির আয়োজন করে দাওয়াত দিলে আমি অংশগ্রহণ করি। হাঁসগুলো চুরি করা তা আমার জানা ছিল না।

আবদুল্লাহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আল এমরান প্রিন্স জানান, নীরব মেম্বারের বিরুদ্ধে হাঁস চুরির অভিযোগটি গ্রাম পুলিশ জামাল জানিয়েছেন। আমি এলাকায় না থাকার কারণে ঘটনার বিস্তারিত এখনও জানতে পারিনি। বিস্তারিত শুনে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন মিয়া বলেন, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ডিসেম্বর চতুর্থ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এই প্রথম ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন নীরব হাওলাদার।

Loading