মোঃ বাকিরুল ইসলাম, জামালপুর জেলা প্রতিনিধি, জামালপুর মেলান্দহ উপজেলা আজ রাত ২০শে ফেব্রুয়ারী আর রাত১২ঃ১মিনিটে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি হবে।আর এই ফেব্রুয়ারিতে বাংলা ভাষা নিয়ে সারা বিশ্বের মধ্যে আমরাই একমাএ জাতি, যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছি।১৯৫২ সালে এক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিলো বাঙালি জাতির অংশ হিসেবে প্রথমেই তারা বাঙালিদের ভুলিয়ে দিতে চেয়েছিল তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রভাষা- এ বাস্তব সত্য অস্বীকার করে বাংলার পরিবর্তে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল তারা। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ভাষা শহিদের প্রতি গভীর বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম । বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনে যোগ করে নতুন মাত্রা। শহীদদের রক্ত তাদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে প্রেরণা জোগায়।
এর পরের ইতিহাস পর্যায়ক্রমিক আন্দোলনের। ৫৪-র নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়, আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ’৬২-র শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬-র স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই, ’৬৯-র গণঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়লাভ এবং ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠা লাভ করে বাঙালির স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ। বাঙালি মুক্ত হয় ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণ থেকে। বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের প্রতিটি পর্যায়ে ’৫২-র ভাষা আন্দোলন অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। তাই একুশ আমাদের জাতীয় জীবনে এক অন্তহীন প্রেরণার উৎস। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অর্ধশত বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে।
এ দীর্ঘ সময়ে আমাদের অর্জন কী- এ প্রশ্নের উত্তরের মধ্যেই নিহিত রয়েছে আমরান্তু একুশে ফেব্রুয়ারির আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে যেসব তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়, সেগুলোর কি নিষ্পত্তি করতে পেরেছি আমরা? বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে সত্য; কিন্তু তা কি চালু করা সম্ভব হয়েছে সর্বস্তরে? একুশের অন্যতম চেতনা ছিল রাষ্ট্রীয় জীবনে অসাম্যবৈষম্য, দুর্বলের ওপর সবলের আধিপত্য ইত্যাদির অবসান। এই মহৎ আকাক্সক্ষার বাস্তবায়ন ঘটেছে কি? ভাষা আন্দোলনের জন্য যারা শহিদ হয়েছে তাদের প্রতি গভীর বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি,এবং বাঙালি জাতির প্রতি রইলো গভীর ভালোবাসা।
![]()