৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৭:১৪
শিরোনাম:

বাসি ভাতের সমস্যা আমাদের নেই : তথ্যমন্ত্রী

‘সন্ধ্যার পরে কিংবা ভরদুপুরে ঢাকা বা অন্য শহরের অলিতে-গলিতে, গ্রাম-গ্রামান্তরে ডাক শোনা যায় না ‘মা আমাকে একটু বাসি ভাত দেন’। কেউ যদি কাউকে বাসি ভাত দেয়, তাহলে সেই বাসি ভাত মুখে ছুড়ে মারার সম্ভাবনা আছে। কারণ, বাসি ভাতের সমস্যা আমাদের নেই।’

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আজ মঙ্গলবার (৮ মার্চ) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

‘দেশে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে’ ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।’

মির্জা ফখরুলের কাছে প্রশ্ন রেখে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশে কোনো মানুষ না খেয়ে থাকে না। কোথায় অনুসন্ধান করে পেলেন দেশে নীরব দুর্ভিক্ষ চলছে?’

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য করোনার কারণে এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধের কারণে সমগ্র পৃথিবীতে বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের দেশে কিছু কিছু পণ্যের দাম যে বৃদ্ধি পায়নি, তা নয়। সরকার সেই পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।’

করোনা কিংবা যুদ্ধের অজুহাতে পণ্যের মূল্য যারা ইচ্ছাকৃতভাবে বাড়াচ্ছে তাদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মন্ত্রী বলেন, ‘যারা অসাধু ব্যবসায়ী, যারা দুর্যোগ-দুর্বিপাকের সুযোগ নিয়ে পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেয় তাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কারণ, কোনো দুর্যোগের সুযোগ নিয়ে পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দেওয়া সৎ ব্যবসায়ীর কাজ না। আমি আশা করব, সংকট না থাকলেও যারা করোনা কিংবা যুদ্ধের অজুহাতে পণ্যের মূল্য ইচ্ছাকৃতভাবে বাড়াচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘১৫ বছর আগে সারাদিন কাজ করে একজন শ্রমিকের পক্ষে ৩ থেকে ৪ কেজি চাল কেনা সম্ভব ছিল না। এখন একজন শ্রমিক সারাদিন কাজ করে ১২ থেকে ২০ কেজি চাল কিনতে পারে। মোটা চাল, মোটা চালের কেজি ৪০ থেকে ৪১ টাকা। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় গত ১৩ বছরে সাড়ে ৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। নিম্নআয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।’

ভিক্ষার দিন শেষ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এক মুষ্টি চাল ভিক্ষা দেবেন, সেই দিনও চলে গেছে। অর্থাৎ, বাংলাদেশে কোনো মানুষ না খেয়ে নেই। বাংলাদেশের সমস্ত মানুষ আগের তুলনায় ভালো আছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবরা যখন ছিলেন, সারের দাবিতে মানুষ বিক্ষোভ করেছে, তাদের ওপর গুলিবর্ষণ করা হয়েছে। কৃষকের ওপর গুলিবর্ষণ করা হয়েছে। শুধু তারা যারা ক্ষমতায় ছিলেন তাদের উন্নয়ন হয়েছে। অন্য মানুষ না খেয়ে মারা গেছে।’

Loading