জাকারিয়া জাহিদ,কুয়াকাটা প্রতিনিধি ঃকুয়াকাটায় নানা আয়োজনে রাখাইনদের সাংগ্রাই উৎসব পালিত। রাখাইন নববর্ষ ১৩৮৩ কে বিদায় জানিয়ে ১৩৮৪ বরণ করতে রাখাইনদের শত বছরের ঐতিহ্যবাহী সার্বজনীন সাংগ্রাই বা বর্ষবরণে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!শনিবার (১৬ এপ্রিল) বেলা ১১টায় শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বিহারে বুদ্ধস্নানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। এরপর বৌদ্ধ বিহারের চারপাশে তিনবার প্রদক্ষিণ, বাহারি খাবারের আয়োজন, মন্দিরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাসহ নানা আয়োজন রয়েছে দিনব্যাপী।সকাল থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে রাখাইনরা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে থাকেন। পুরোনো বছরের সব দুঃখ-গ্লানি ভুলে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে এ উৎসবের আয়োজন করে অং হেলপ অ্যান্ড এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন।
করোনার কারণে দীর্ঘ দুই বছর পর এ উৎসবে অংশগ্রহণ করতে পেরে রাখাইন পরিবারগুলোর মাঝে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। প্রায় ৫শ‘ ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতিতে বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হয় মৈত্রীয় জলবর্ষণ উৎসব বা জলকেলি। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত মোঃ কামাল হোসেন,জেলা প্রশাসক,পটুয়াখালী।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন,জনাব মোহাম্মদ শহিদুল হক, উপজেলা প্রশাসক,কলাপাড়া,জনাব মোহাম্মদ আনোয়ার হাওলাদার মেয়ের কুয়াকাটা পৌরসভা, খোন্দকার মোঃআবুল খায়ের,অফিসার ইনচার্জ মহিপুর থান,জনাব নাশির উদ্দিন বিপ্লব সভাপতি কুয়াকাটা প্রেসক্লাব,জনাব মোঃ বুলেট আকন,সাবেক সভাপতি কুয়াকাটা প্রেসক্লাব।আরও উপস্থিত ছিলেন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিক ও রাখাইন সম্প্রদায়।
অং হেলপ অ্যান্ড এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট নিউ নিউ খেইন জানান, বিগত দুই বছর আমরা এ উৎসব করতে পারিনি। বিগত বছরের দুঃখ দুর্দশা ভুলে নতুন করে পথ চলার জন্যই আমাদের এ আয়োজন। ইতোমধ্যে বুদ্ধস্নান সম্পন্ন হয়েছে। জলকেলি মূলত এখন সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে।
![]()