৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৮:১৮
শিরোনাম:

সাকিবের দুই প্রতিষ্ঠানকে বিএসইসির শোকজ নোটিশ

স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স নিয়ে কমোডিটি এক্সচেঞ্জের ব্যবসা করে আসছিলেন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। তা জানতে পেরে সাকিবের মালিকানায় থাকা দুই কোম্পানিকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

রিলায়েবল কমোডিটিজ এক্সচেঞ্জ কোম্পানি এবং বুরাক কমোডিটিজ এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কোম্পানির কাছে বিএসইসি জানতে চেয়েছে, কমোডিটি এক্সচেঞ্জের অনুমোদন না নিয়ে কীভাবে তারা ব্যবসা করে যাচ্ছে।

সাকিবের দুই কোম্পানি স্বর্ণের ফিউচার কন্ট্রাক্টের ব্যবসা করছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। ফিউচার কন্ট্রাক্ট হচ্ছে একটি চুক্তি, যেখানে ক্রেতা ভবিষ্যতে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য নির্দিষ্ট দামে নির্দিষ্ট ক্রেতা থেকে কিনতে বাধ্য থাকেন। এই চুক্তিপত্র হস্তান্তর করা যায়। সরাসরি স্বর্ণ হাতে না রেখেও এই ব্যবসা করা যায়। এ ধরনের ব্যবসা শুধু কমোডিটি এক্সচেঞ্জ করতে পারে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কাউকে কমোডিটি স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হয়নি।

সাকিব বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স নিয়েছেন। সেই লাইসেন্স দিয়ে ফিউচার কন্ট্রাক্টের ব্যবসা করা যায় না।

বিএসইসির কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘ফিউচার কন্ট্রাক্টের অনুমোদন দেওয়ার একমাত্র ক্ষমতা রাখে বিএসসি। অন্য কেউ এই লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষমতা রাখে না।’

রিলায়েবল কমোডিটি এক্সচেঞ্জ কোম্পানির সোনা আমদানির লাইসেন্স নেই বলে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন,’আমাদের কাছে বুরাক কমোডিটি এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কোম্পানির নামে স্বর্ণ আমদানির লাইসেন্স নেওয়া হয়েছে।’

Loading