৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:৪০
শিরোনাম:

তৃতীয় সন্তান জন্মের গুজবে ওমর সানী বললেন ‘নাউজুবিল্লাহ’

চিত্রনায়ক জায়েদ খানের বিরুদ্ধে সংসার ভাঙার চেষ্টার অভিযোগ এনেছেন ওমর সানী। তিনি জানিয়েছেন, জায়েদ খান গত চার মাস ধরে তার স্ত্রী চিত্রনায়িকা আরিফা পরভীন মৌসুমীকে নানা হয়রানি ও বিরক্ত করে আসছে। তার সুখের সংসার ভাঙার জন্য বিভিন্ন কৌশলে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তবে মৌসুমীর কণ্ঠে ছিলো ভিন্ন সুর। তিনি বলেন, ‘আমি জায়েদকে অনেক স্নেহ করি ও আমাকে যথেষ্ট সম্মান করে। আমাদের মধ্যে যতটুকু কাজের সম্পর্ক, সেটা খুবই ভালো একটা সম্পর্ক। সেখানে আমাকে অসম্মান করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। ও অনেক ভালো ছেলে। সে কখনোই আমাকে অসম্মান করেনি।’

স্ত্রীর এমন মন্তব্যে ওমর সানী ফেসবুক লাইভে জানান, ‘মৌসুমী আমার স্ত্রী, আমার সন্তানের মা। তাকে অসম্মান করে আমি একটি কথাও বলব না। সে কি মনে করে জায়েদ খানের পক্ষে কথা বলছে সেটা আমি জানি না। আমি চাই না, এই ২৭ বছরে এসে কোনো ধরনের ভুল বোঝাবুঝি (পরিবারের মধ্যে) হোক। আমি আমার ছেলেমেয়ে, স্ত্রীকে নিয়েই থাকতে চাই।’

অন্যদিকে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে জায়েদ খান বলেন, ‘আপা (মৌসুমী) সব পরিষ্কার করে দিয়েছেন। আপাকে ধন্যবাদ। ওমর সানী ভাইয়ের ওপর আমার কোনো ক্ষোভ বা আক্ষেপ নেই। উনি সিনিয়র মানুষ। আমি যে সঠিক ছিলাম, আজকে আপার বক্তব্যই তা প্রমাণ করে।’

চলমান এই বিতর্কের মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আরেকটি গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। সেটি হলো- সানী-মৌসুমীর ঘরে আসছে তৃতীয় সন্তান।

মূলত কোনো এক সাংবাদিকের সঙ্গে অভিনেতা ওমর সানীর একটি কল রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। সেখানে ওমর সানীকে বলতে শোনা যায়, ‘আমাদের ফুটফুটে দুটি সন্তান আছে। আরও একটি সন্তান আসছে ইনশাআল্লাহ। আমাদের সুখের সংসার। আমি আল্লাহকে হাজির-নাজির সাক্ষি রেখে কথাগুলো বলছি।’ সেখান থেকেই এই গুজবের উৎপত্তি।

এ খবরটিকে ভুয়া দাবি করে ওমর সানী গণমাধ্যমকে জানান, ‘নাউজুবিল্লাহ, এটা উদ্ভট, বানোয়াট। মাঝের কিছু কথা ফেলে দিয়ে এডিট করে কথাটা ওভাবে ছড়ানো হচ্ছে। কে বা কারা এটা এডিট করে ছড়িয়েছে সেটা জানিনা। যারা এটা করছেন তারা কাজটি ঠিক করেননি।’

ইতোমধ্যে নেটিজেনদের অনেকেরই ধারণা, ছেলের বিয়ের সময় হয়তো পুত্রবধূকে নতুন অতিথি উল্লেখ করে কথাটি বলে থাকতে পারেন ওমর সানী। সেটিই এখন অপব্যাখা করে কেউ ছড়াচ্ছেন।

 

Loading