৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:২৮
শিরোনাম:

ছাদখোলা বাস সাজছে সানজিদাদের সংবর্ধনায়

ফাইনালের আগের দিন বাংলাদেশ দলের ফুটবলার সানজিদা আখতার এক ফেসবুক পোস্টে লিখেন, ‘ছাদখোলা চ্যাম্পিয়ন বাসে ট্রফি নিয়ে না দাঁড়ালেও চলবে, সমাজের টিপ্পনীকে একপাশে রেখে যে মানুষগুলো আমাদের সবুজ ঘাস ছোঁয়াতে সাহায্য করেছে, তাদের জন্য এটি জিততে চাই।’

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ট্রফি জয়ের স্বপ্নপূরণ করেছেন বাংলার মেয়েরা। এবার পালা উৎসবের, এবার পালা তাদের আড়ম্বরপূর্ণ সংবর্ধনা দিয়ে বরণ করে নেওয়ার।

সানজিদার সেই আবেগঘন পোস্ট ছুঁয়ে গেছে কোটি ভক্তের হৃদয়। ফাইনাল শুরুর আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সয়লাব ছাদখোলা বাসের দাবিতে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর সেই দাবি আরও জোরালো হয়। কোটি ভক্তের মতো সানজিদার এই আক্ষেপ ছুঁয়ে যায় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলকেও। তাইতো বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর অফিসে বসেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন ছাদ খোলা বাস তৈরি করার।

এই নিয়ে মঙ্গলবার বাফুফের সঙ্গে বৈঠক করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। বৈঠক শেষে ঘোষণা দেন ছাদখোলা বাসের, ‘ঢাকায় এ ধরণের কোনো ছাদ খোলা বাস নেই। একটা দোতলা বাসকে উপর থেকে খুলে তৈরি করা হচ্ছে। আমাদের একটু ক্ষতি হলেও তাদের আক্ষেপটা আমরা পূরণ করতে পারি, সে জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। বাস তৈরি হচ্ছে, সন্ধ্যার মধ্যে আমরা বাসটিকে সাজাতে পারবো। তাদের আক্ষেপটা আমরা পূরণ করতে পারবো।’

সানজিদার স্ট্যাটাস দেখেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর, ‘আগের দিন সানজিদা আক্ষেপ করে বলছিলেন হয়তো তাদের হুড খোলা বাসে নিয়ে আসা হবে না। এরকম একটা আক্ষেপ ছিল তার লেখায়। আমি গতকাল এই লেখাটা দেখেছি। আগেও পড়েছিলাম হয়তো। এই লাইনটা আলাদা করে খেয়াল করিনি। গতকাল মধ্যরাত পর্যন্ত অফিস করেছি, সেখানে আমরা বাস জোগাড় করেছি।’

১৯ বছর পর সাফ জয়ের সাফল্য এনে দিলেন সাবিনা খাতুনরা। তাদের সাফল্যে ভাসছে গোটা দেশ। আগামীকাল বুধবার দুপুরে তারা দেশে পৌঁছাবেন। বিমানবন্দর থেকে মতিঝিল বাফুফে ভবন পর্যন্ত ছাদখোলা বাসে করে তাদের নিয়ে আসা হবে।

Loading