২৯শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৪:৩৫
শিরোনাম:

রাজধানীতে সভা সমাবেশে লাঠিসোঁটা নেয়া যাবে না: ডিএমপি

রাজধানীতে কোন সভা সমাবেশে লাঠিসোঁটা বা দেশীয় অস্ত্র আনা যাবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।

সম্প্রতি রাজনৈতিক সহিংসতা বাড়ছে। ঢাকায় বিএনপি-আওয়ামী লীগ, ছাত্রদল-ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষকে লাঠি-রড নিয়ে নামতে দেখা যাচ্ছে।

এই প্রসঙ্গে হাফিজ আক্তার বলেন, সব ডিসিকে বলা হয়েছে, কোনো সভা-সমাবেশে লাঠিসোঁটা ও পতাকা যেন আনা না হয়। জাতীয় পতাকা কোথাও পড়ে গেলে সেটির অবমাননা করা হয়।

তিনি বলেন, বেশ কিছু জায়গাতে লাঠিসোঁটা কেন্দ্রিক সমস্যা হচ্ছে। তাই লাঠিসোঁটা নেয়া যাবে না। কারণ কে কোন উদ্দেশ্যে লাঠিসোঁটা নিয়ে আসছে তা তো বলা যায় না।

হাফিজ আক্তার বলেন, রাজনৈতিক সমাবেশে কারো ভিন্ন কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে। এছাড়া রাজনৈতিক কর্মসূচি ছাড়াও অনেক সাধারণ মানুষও থাকে দিন রাত নানা কাজ করেন। তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি তো থাকেই। সমাবেশে পুলিশ ফোর্সও থাকে।

তাদের কাজ যেন কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত না হয়। তাই রাজনৈতিক কোনো কর্মসূচিতে লাঠি আনার কোনো প্রয়োজন নেই। তারা সমাবেশ করবে, চলে যাবে। নিরাপত্তার স্বার্থে লাঠিসোঁটা নেওয়া যাবে না। এটা পুলিশের জন্য হুমকি স্বরূপ বলেও যোগ করেন এই ডিএমপি কর্মকর্তা।

সভা-সমাবেশের জন্য অনুমতি চাইলেও ডিএমপি অনুমতি দেয় না, বিএনপির এমন অভিযোগ সম্পর্কে হাফিজ আক্তার বলেন, এ ধরনের অভিযোগ আমরা পাইনি।

তিনি বলেন, আমরা রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক প্রোগ্রামের অনুমতি দিচ্ছি। আমরা যদি মনে করি, ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে তাহলে লোকাল ডিসি মতামত দেন।

তিনি আরো যোগ করেন, দেখা গেলো কোনো এক জায়গায় একাধিক সংস্থা বা দল সমাবেশ ও সভার অনুমতির আবেদন করলে নাগরিক সুরক্ষার জন্য সেটির অনুমতি বা অনুমোদন দেই না।

প্রায় সব কর্মসূচিতেই পুলিশ নীরব থাকে দাবি করে এই ডিএমপি কর্মকর্তা বলেন, দুই-একটি ঘটনায় পুলিশকে বাধ্য হয়েই ব্যবস্থা নিতে হয়। কর্মসূচি কিন্তু প্রতিনিয়তই হচ্ছে।

পুলিশের কাজই হচ্ছে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা। ঢাকা শহরের কোথাও সংঘাত-সংঘর্ষ হোক, সেটি ডিএমপি চায় না বলেও জানান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার।

Loading