৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:২৩
শিরোনাম:

আ. লীগের সংঘর্ষে দেড় শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণ

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে দেড় শতাধিক হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটেছে। এক ঘণ্টা চেষ্টা করে ৪০ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে পুলিশ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আজ বুধবার সন্ধ্যায় নড়িয়া বাজারের বড় ব্রিজ এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় দুই পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে (নড়িয়া উপজেলা) সদস্য পদে নির্বাচনে অংশ নেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মামুন মোস্তফা ও তার সম্বন্ধী (স্ত্রীর বড় ভাই) নড়িয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইউনুস শেখ। ভোটে তারা দুজনই পরাজিত হন। এরপর থেকেই তাদের দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব চলছে। এরই জের ধরে গতকাল বিকেলে মোস্তফা দলবল নিয়ে নড়িয়া বাজারে ইউনুস শেখের লোকদের ওপর হামলা করতে আসে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় দুই পক্ষের লোকজন দেড় শতাধিক হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে নড়িয়া শহরে। হামলায় দুই পুলিশ সদস্যসহ ১৫ জন আহত হন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এ বিষয়ে মামুন মোস্তফা বলেন, ‘আমার কর্মীদের ওপর বাদশা শেখের লোকজন হামলা করে ৮ কর্মীকে আহত করেছেন।’নড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বাদশা শেখ বলেন, ‘সংঘর্ষের সময় আমি ও আমার ছেলে ইউনুছ মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম। আমার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে মিলনকে মারধর করা হয়। এর জের ধরে কিছু লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।’

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, ‘বাদশা শেখের ছেলে ইউনুস ও জামাতা মোস্তফার মধ্যে জেলা পরিষদের নির্বাচন নিয়ে হামলার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৪০ রাউন্ড গুলি ছুড়তে হয়েছে। তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে। নড়িয়ায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উল্লেখ্য, মামুন মোস্তফার স্ত্রী উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা মোস্তফা।

Loading