২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১:১৭
শিরোনাম:

ই-অরেঞ্জের সোহেল রানাকে দেশে আনতে পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ হাইকোর্টের

মহসীন কবির: ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের প্রতারণা নিয়ে বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) রিপোর্টকে দায়সারা উল্লেখ করে তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে ফের যথাযথভাবে প্রতিবেদনের দাখিলেরও নির্দেশ দেন । বৃহস্পতিবার সকালে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

একইসঙ্গে ই-অরেঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা সোনিয়া মেহজাবীনের ভাই বরখাস্ত পুলিশ পরিদর্শক শেখ সোহেল রানাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগের বিষয়টি সুনির্দিষ্ট করে ফের প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছেন আদালত।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা সোনিয়া মেহজাবীন ও তার ভাই বরখাস্তকৃত পুলিশ পরিদর্শক শেখ সোহেল রানা ও চাচা মোহাম্মদ জায়েদুল ফিরোজ ১৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা সরিয়েছেন।

প্রতিষ্ঠানটি এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট হিসাব থেকে এসব টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দিয়েছে বিএফআইইউ।

হাইকোর্টের নির্দেশনার আলোকে আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হলো। প্রতিবেদনে বলা হয়, ই-অরেঞ্জ, অরেঞ্জ বাংলাদেশ ও রেড অরেঞ্জ ইন্টারন্যাশনালের নামে ১৩টি হিসাব খুলে লেনদেন করেন তারা। এই ১৩ হিসাবে ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ হাজার ১১১ কোটি টাকা জমা ও ১ হাজার ১০৯ কোটি টাকা উত্তোলনের মাধ্যমে মোট ২ হাজার ২২১ কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। সোনিয়া ও তার স্বামী মাসুকুর রহমানের নামে ২৪টি হিসাবে লেনদেন করেছেন। ঐ ২৪ হিসাবের মাধ্যমে সময়ে সময়ে সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তি প্রায় ১২০ কোটি টাকার লেনদেন করেছেন।

অর্থ স্থানান্তরের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, সোনিয়া মেহজাবিন, স্বামী মাসুকুর রহমান, ভাই শেখ সোহেল রানা ও চাচা মোহাম্মদ জায়েদুল ফিরোজ নগদে টাকা উত্তোলন ও ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর এবং নিজ নামে ক্রয় করার জন্য মোট ১৮ দশমিক ৫৬ কোটি টাকা ই-অরেঞ্জের হিসাব থেকে স্থানান্তর করে উত্তোলন করেন। গ্রাহকদের অগ্রিম মূল্য পরিশোধিত অর্ডারের পণ্য সরবরাহ না করে সন্দেহভাজন উল্লিখিত অর্থ তাদের ব্যক্তিগত হিসাবে স্থানান্তর নগদে উত্তোলন ও ব্যক্তিগত স্থায়ী সম্পদ ক্রয় করেছেন। যা প্রতারণার শামিল। যমুনা ও সময় টিভি

Loading