৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৫:২৯
শিরোনাম:

আ. লীগ নেতারা দেশ থেকে টাকা নিয়ে পালাচ্ছে: কর্নেল অলি

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, সরকারের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে দেশের অর্থনীতিতে ধস নেমেছে। যার অন্যতম কারণ দেশ থেকে প্রায় ৭ লাখ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতারা দেশ থেকে টাকা নিয়ে পালাচ্ছে। ঋণ খেলাপির লাইন দীর্ঘ হচ্ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান ভ্যাট পরিশোধ করছে না। এই অবস্থা থেকে দেশকে বাঁচাতে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বুধবাবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর পূর্বপান্থপথ এফডিসি সংলগ্ন এলডিপির কার্যালয়ের সামনে এলডিপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, সম্প্রতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম জাতীয় সংসদে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে জড়িয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। জানি না কি কারণে পরিণত বয়সে এসে মেজর রফিক এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন।

তিনি বলেন, ১৯৮০ সালের আগে তিনি মুক্তিযুদ্ধের উপর একটি বই লিখেছেন সেই বইতে এসব তথ্য নেই কেনো? জাতি জানতে চায় কি কারণে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব দ্বারা চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন?

এলডিপি প্রেসিডেন্ট বলেন, চাকরিচ্যুত হওয়ার পর ১৯৭৭/৭৮ সালে মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম প্রায় অসহায়ের মতো জীবন যাপন করছিলেন। ঢাকায় আসার মতো টাকা তার কাছে ছিল না। ওই সময় আমি তাকে চট্টগ্রামের কমিশনার আউয়ালের মাধ্যমে বিমানের টিকিট কেটে ঢাকায় আনি। এরপর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে অনুরোধ করে তাকে ঢাকা ওয়াসার চেয়ারম্যান বানাই। মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম ওই ধরনের ব্যক্তি যে, স্বার্থের জন্য যেই প্লেটে খায় সেই প্লেটে ছিদ্র করে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে আমরা তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করি। এই রফিকুল ইসলামকে তখন চট্টগ্রামে পাওয়া যায়নি। পরে জেনেছি তিনি চট্টগ্রাম থেকে পালিয়ে সীমান্তবর্তী খাগড়াছড়ির রামগড় পোস্ট অফিসের দুই তলায় অবস্থান নেন। আমরা যুদ্ধ করেছি চট্টগ্রাম শহরে অথচ তিনি রামগড়ে পালিয়ে গেলেন কেন?

ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেন, পাঠ্য পুস্তক নিয়ে একটা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে যে ধরনের খেলা চলছে তা কখনোই কাম্য নয়। নতুন প্রজন্মকে ধ্বংসের জন্য যারা খেলায় মেতেছে জাতি তাদের ক্ষমা করবে না। শুধু তদন্ত করে লাভ নেই। এই সমস্ত পাপিদের ফাঁসি দেওয়া উচিত।

Loading