৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৪২
শিরোনাম:

ইভিএমে আঙুলের ছাপ মেলেনি সিইসির, এনআইডি কার্ডের নাম্বার মিলিয়ে ভোট দিয়েছেন

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টরের আইইএস স্কুল ও কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিতে যান। তবে ইভিএম মেশিনে তার ফিংগার প্রিন্ট না মেলায় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর দিয়ে ভোট দিতে হয়েছে তাকে। সিইসি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ভোটার।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

শনিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে সিইসি কলেজ ভবনের দোতালায় ৮ নম্বর বুথে তিনি ভোট দিতে যান। ইভিএম মেশিনে তার দুই হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি স্ক্যান করা হয়। তবে কোনোটিই ম্যাচ করেনি। এরপর দ্রুত কর্মকর্তারা তার জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর দিয়ে ভোট দেয়ার ব্যবস্থা করেন। এরপর তিনি ভোট দিয়ে চলে যান।

এ বিষয়ে সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সিদ্দিকা বুলবুল বলেন, সিইসির প্রথম দুটি বৃদ্ধাঙ্গুলীর ছাপ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে তা ম্যাচিং করেনি। পরে আমরা আর চেষ্টা করিনি। তাড়াহুড়োর কারণে এবং ভোটার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য আমরা তার এনআইডি নম্বর দিয়ে ভোট নিয়েছি।
ইভিএম মেশিনে ফিংগার প্রিন্ট না মেলার বিষয়ে পরবর্তীতে সাংবাদিকদের সিইসি বলেন, কারো ফিংগার প্রিন্ট না মিললেও ভোট দেয়ার তিন-চারটি উপায় আছে। সেভাবে তারা ভোট দিতে পারবেন।

ভোট দেয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নুরুল হুদা বলেন, এজেন্টদের কেন্দ্রে টিকে থাকতে হবে। যদি কেউ বাধা প্রদান করে তাহলে তাদের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে গিয়ে অভিযোগ করতে হবে। এ অভিযোগেও যদি সমাধান না হয়, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর শরণাপন্ন হতে হবে। সেটা না করে বাইরে গিয়ে অভিযোগ করবেন, এজেন্টদের বের করে দিচ্ছে, সেই অভিযোগ গ্রহণযোগ্য নয়, এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, এজেন্টদের ধৈর্য ধরতে হবে। তারা নিয়মতান্ত্রিক প্রতিবাদ করবেন। এসব না করে বের হয়ে অভিযোগ করলেও কোনো লাভ হবে না।

Loading