৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:২৩
শিরোনাম:

আশাশুনিতে বসত ঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় একই পরিবারে আহত-২

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের নাকতাড়া গ্রামে একটি অসহায় পরিবারকে বসতবাড়ি ভাঙচুর করে তাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার ১ এপ্রিল বেলা ১১ টার দিকে অসহায় খলিলের বাস্তভিটার জমি ও বসতর হামলা ও ভাঙচুরের প্রস্তুতি নেয় প্রতিপক্ষ আলমগীর। তাদের এমন পরিস্থিতি দেখে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি ৯৯৯ ফোন করে। কিন্তু কর্তব্যরত এসআই ঘটনাস্থলে আসার আগেই হামলা ভাঙচুর, লুটপাট কারীরা তাদের মিশন শেষ করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত খলিল কারিকর ৭ জনের নামে আশাশুনি থানায় একটি এজার দায়ের করেন। জানা গেছে নাকতারা গ্রামের আবুবক্কার সরদারের ছেলে আলমগীর হোসেন ও তার ছেলে সবুজ স্ত্রী ইয়াসমিন আরা পারভীন এবং ভাড়াটিয়া মাস্তান কলিমাখালি গ্রামের মৃত শুকুর আলী সরদারের ছেলে জাবেদ আলী সরদার, আমিরুল ইসলাম, মোজাহিদ, লেপ ব্যবসায়ী শহীদ কারিগর সহ ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র বাহিনী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঐদিন বেলা ১১ টার দিকে তৃতীয় একটি পক্ষের ইন্ধনে খলিলের বাড়ি হামলাও ভাঙচুরের প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এক পর্যায়ে উল্লেখিত ব্যক্তিগণ বাড়ির চর্তুরধার ঘিরে ফেলে। এ সময় ঘরের মধ্যে অবরুদ্ধ তিন মহিলা মাসুরা খাতুন, মোছা: কদবানু খাতুন, শামিমা খাতুনকে মারপিট শুরু করলে তাদের ডাক চিৎকারে পার্শ্ববর্তী আনিসুর রহমান, অজিয়ার কারিকর, আছাফুর সরদার তাদেরকে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে আশাশুনি হাসপাতালে ভর্তি করে। এদিকে হামলাকারীরা বর্বরোচিত ঘটনা ঘটিয়েও ক্ষ্যান্ত হয়নি তারা। অবশেষে তাদের আশ্রয়স্থল ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, টাকা পয়সা, গাছ গাছালি, বাথরুম ভাঙচুর লুটপাট করে নিয়ে যায়। বর্তমানে খলিলের পরিবার আশ্রয় হারিয়ে অন্যত্র বসবাস করছে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে ইন্সপেক্টর তদন্ত বলেন এজাহার পেয়েছি অধিকতার তদন্ত শেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আশাশুনি থানা পুলিশ মামলা নেইনি বলে জানা গেছে।

Loading