বিএনপি-জামায়াতের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে। এই দলকে হুমকি-ধমকি দিয়ে কোনো লাভ হবে না। আমরা একাত্তরের আলবদর-রাজাকারদের পরাস্ত করেছি। প্রয়োজন হলে আবারো তাদেরকে পরাজিত করা হবে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!সোমবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে মেহেরপুরের ঐতিহাসিক মুজিবনগর আম্রকাননে মুজিবনগর দিবসের আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কারো অবদান রাখার সুযোগ নেই। জিয়াউর রহমান দেশে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী চেতনা প্রতিষ্ঠা করেছেন। কুখ্যাত রাজাকার গোলাম আযম ও আব্দুলদের নিয়ে তিনি সরকার গঠন করেছিলেন। অসংখ্য রাজাকারদের প্রতিষ্ঠা করে তিনি প্রমাণ করেছিলেন তিনি কখনো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেননি।
মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, একমাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়া স্বাধীনতার নেতৃত্বে আর কারো অবদান নেই। অথচ বিএনপি-জামায়াত প্রথম থেকেই স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে। এখনও তারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করে চলেছে। তাদের মধ্যে অনেক অনুসারী আছেন যারা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করেন কিন্তু তারা ১০ এপ্রিল মানেন না, ১৭ এপ্রিলও মানে না। জাতি তাদের ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে বলেই তারা আজ নির্বাচনে অংশ নিতে ভয় পায়। কারণ তারা জানেন নির্বাচনে অংশ নিলে তাদের জাতি আবারও প্রত্যাখ্যান করবে। অথচ সেই আজ সরকারের উন্নয়ন দেখলে বিএনপির লোকদের গা জ্বলে। দেশ-বিদেশে মিথ্যাচার করে বেড়ান, ষড়যন্ত্র করে বেড়ান।
সংবিধান অনুযায়ী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এ নির্বাচনে যাদের নির্বাচন করার সক্ষমতা আছে তারাই শুধু নির্বাচনে আসবেন। নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রমাণ করবেন জনগণ কাকে চায় আর কাকে চায় না। রাজপথে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিয়ে জনগণ তার পক্ষে আছে এটা বলার কোনো সুযোগ নেই। আওয়ামী লীগ জনগণের ক্ষমতা ও শক্তিতে বিশ্বাসী।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের সভাপতিত্বে ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজম্মেল হকের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরুল্লাহ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক, মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন, সাবেক সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম শাহীন প্রমুখ।
![]()