৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বিকাল ৩:৩২
শিরোনাম:

পুরো ভোট বাতিলের ক্ষমতা পাচ্ছে না ইসি, যেটিতে সায় সরকারের

নির্বাচনে অনিয়ম হলে গণপ্রতিনিধিত্ব সংশোধন আইনে গেজেট প্রকাশের পর পুরো ভোট বাতিলের ক্ষমতা সংক্রান্ত যে সংশোধনী প্রস্তাব দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি), সেটিতে সায় দেয়নি মন্ত্রিসভা। পেশিশক্তি বন্ধ করার জন্য বা অন্য যেকোনো কারণে নির্বাচন চলাকালে যেকোনো মুহূর্তে এক বা একাধিক কেন্দ্রের নির্বাচন স্থগিত বা বাতিল করতে পারবে ইসি।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

জাতীয় সংসদ নির্বাচনসংক্রান্ত আইন ‘গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)’ সংশোধনের খসড়ায় এই বিধান রাখা হয়েছে। তাতে পুরো আসনের নির্বাচন বাতিল বা স্থগিতের বিষয়টি নেই।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে আরপিও সংশোধনের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে বিকালে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে আসেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন। সেখানে তিনি বলেন, যেসব কেন্দ্রে অনিয়ম হবে শুধুমাত্র সেসব কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত বা বাতিল করতে পারবে নির্বাচন কমিশন, এমন বিধান রেখে ‌‌‘গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন ২০২৩’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

নির্বাচনের ফলাফলের প্রজ্ঞাপন (গেজেট) হওয়ার পরও প্রয়োজনে নির্বাচন বাতিল করার ক্ষমতা চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য জাতীয় নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) সংশোধনী আনার যে প্রস্তাব ইসি দিয়েছিল

আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এ বড় সংশোধনী প্রস্তাব চূড়ান্ত করে ইসি।  চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, নির্বাচন চলাকালে কোনো ভোটকেন্দ্রে বড় ধরনের অনিয়ম, কারসাজি ও ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার প্রমাণ পেলে ইসি সেই কেন্দ্রের ভোট বা ফল বাতিল করে পুনরায় ভোট গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের বেসরকারি ফল প্রকাশের পরও এই ক্ষমতা প্রয়োগ করা যাবে। যদিও প্রাথমিক সংশোধনী প্রস্তাবে ইসি পুরো আসনের নির্বাচন বা ফল বাতিলের ক্ষমতা চেয়েছিল, কিন্তু সরকার সেটিতে সায় দেয়নি।

Loading