শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করতে বাণিজ্য ব্যবস্থার উদারীকরণ করা হয়েছে এবং নন-শুল্ক বিধিনিষেধকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা হয়েছে।
Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ( অ্যামচেম)এবং বাংলাদেশে মার্কিন দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ২৭তম ইউএস ট্রেড শো বাংলাদেশের উদ্বোধন কালে একথা বলেন তিনি।
শিল্প মন্ত্রী বলেন, শিল্পনীতি ২০১৬-এ দেশের সর্বত্র বিশেষত রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলসমূহে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য বিশেষ ইনসেন্টিভ ও সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। নীতিতে জ্বালানী, অবকাঠামো, যোগাযোগ, কৃষি ব্যবসা, আইসিটি, শিক্ষা, পর্যটন, রিয়েল এস্টেটসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রচুর সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে।
২০১৯ সালে মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি ছিলো উল্লেখ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বাণিজ্য ঘাটতি ধীরে ধীরে কমে আসছে। বর্তমানে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ৫২তম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার।
তিনি বলেন, বৈচিত্র্যময় শিল্পখাতে বিদ্যমান বিশাল সম্ভাবনার সন্ধানের জন্য সরকার ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। সে সঙ্গে রাসায়নিক, প্লাস্টিক, চামড়া, সিরামিক, অটোমোবাইল, খাদ্য এবং অন্যান্য অনেক শিল্প স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। শিল্পমন্ত্রী দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে দু’দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্য পারস্পরিক যোগাযোগ আরও বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান তিনি।
ইউএস ট্রেড শো দু’দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং সুযোগগুলোকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যমান বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ ডি অ্যাফায়ার্স JoAnne Wagner, অ্যামচেমের সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ , বিডা’র নির্বাহী পরিচালক মোঃ সিরাজুল ইসলাম অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।
![]()