৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৯:২২
শিরোনাম:

ভারতের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক, দাসত্বের নয় : ওবায়দুল কাদের

বুধবার (৪ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের দুই জেলা নেতাদের হাতে সদস্য ফরম ও গঠনতন্ত্র তুলে দেয়ার সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রধান মিত্র দেশ ভারত। কাজেই ভারতকে বাদ দিয়ে মুজিব বর্ষ পূর্ণতা পায় না। এখন যারা মোদির বাংলাদেশে আসার বিরোধিতা করছেন, তারাই ভারতের সঙ্গে দাসের মতো আচরণ করেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ভারতে গিয়ে পানির ন্যায্য হিস্যা আলোচনা করতে ভুলে গিয়েছিলেন। সেই দলটির নেতারা ভারতের নেতাদের খুশি করতে দাসের মতো আচরণ করেন। এখন তারা কেন মোদির বিরোধিতা করছেন? মুজিববর্ষে মোদির আগমনে যারা বিরোধিতা করছেন, তারা প্রকারান্তরে মুজিববর্ষেরই বিরোধিতা করছেন। বঙ্গবন্ধু এখন দেশে-বিদেশ আপন মহিমায় উদ্ভাসিত বাংলাদেশের ঐতিহাসিক রাজনৈতিক অবিসংবাদিত নেতৃত্ব, সেটা পরিষ্কার।

জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের দলের সদস্য না করতে তৃণমূল নেতাদের নির্দেশ দিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, দাগি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যু, মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদকাসক্তরাও আওয়ামী লীগের সদস্য হতে পারবে না মর্মে তৃণমূল নেতাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমরা সার্কুলারের মাধ্যমে নির্দেশনা পাঠিয়ে দিয়েছি। সার্কুলারে উল্লেখ করেছি আমাদের সদস্য সংগ্রহ বা রিনুয়াল সদস্য অর্থাৎ যারা পুরানো সদস্য তাদের নবায়ন এবং নতুন সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিতর্কিত ব্যক্তিদের পরিহার করতে বলা হয়েছে স্ট্রিকলি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য আরিফুর রহমান প্রমুখ।

Loading