২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৫৪
শিরোনাম:

কলাপাড়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের ওপরসন্ত্রাসী হামলার ।। পুলিশসহ চারজনআহত

কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি : পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ইউএনও’র নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীদের ইটপাটকেল নিক্ষেপে পুলিশের এএসআই জামান, কনস্টেবল হায়দার,স্পিডবোট চালক মো.আফজাল হোসেন, কর্মচারী সাগর আহত হয়েছে। এসময় ক্ষতি হয় ইউএনও’র বহনকারী স্পিডবোটটি। সোমবার সকাল দশটার রাবনাবাদ চ্যানেল সংলগ্ন উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ হামলার জড়িত থাকার অপরাধে বাল্ক হেডের মালিক লিটন গাজী (৩৮), তাঁর সহযোগী রানা মিয়া (৩৭) এবং শ্রমিক হিরন হাওলাদার (২৫), ওমর
ফারুক (২০), জহিরুল ইসলাম (৩১), হানিফা (১৮), বশির আহমেদ (৩২), জহিরুল ইসলাম (৩০), মাসুদ রানা (২৭) এবং মো. মিরাজকে (৩২) আটক করা হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

ইউএনও আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক জানান, লিটন গাজী ও তাঁর সহযোগীরা রাবনাবাদ চ্যানেলের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে বহুদিন ধরে অবৈধভাবে বালু কাটছে। ওই চক্র বালু কেটে তা ৮টি বাল্কহেড বোঝাই করে লালুয়া ইউনিয়নের পশুরবুনিয়া জলকপাট এলাকায় আসে। খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ সদস্যদের নিয়ে সেখানে যায় এবং ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ৮ জন শ্রমিকসহ বাল্কহেডগুলো আটক করা হয়। আটক করা শ্রমিকদের কলাপাড়ায় নিয়ে আসার চেষ্টা করলে বাল্ক হেডের মালিক লিটন গাজীর নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন সশস্ত্র শ্রমিক লাঠিসোটা নিয়ে তার সাথে থাকা পুলিশ সদস্য ও কর্মচারীদের ওপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে আটক শ্রমিকদের হামলাকারীরা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় হামলাকারীরা বৃষ্টির মতো ইট-পাথরের টুকরো নিক্ষেপ করে।

তিনি আরো বলেন, বাল্ক হেডের মালিক লিটন গাজী একটি ট্রলারে করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে কোস্টগার্ডের সহায়তায় পুলিশ সদস্যরা ধাওয়া করে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। লিটন গাজীর বাড়ি টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া গ্রামে এবং তাঁর সহযোগী রানা মিয়ার বাড়ি পটুয়াখালীর জৈনকাঠি এলাকায়। কলাপাড়া থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ৮ শ্রমিককে ইউএনও ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তিন মাসের কারাদন্ড দিয়েছে। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারী জাফর প্যাদা বাদি হয়ে বাল্ক হেডের মালিক লিটন গাজী, তার সহযোগী রানা মিয়াসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২৫-৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। বাকি অপরাধীদের গ্রেপ্তার
করার জন্য চেষ্টা চলছে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন

Loading