৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:২৭
শিরোনাম:

‘করোনায় মৃত্যু নিয়ে একটি মহল সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক একটি মহল সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে একটি স্বার্থান্বেষী মহল সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য লুকোচুরির কাল্পনিক উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে। মৃত্যুবরণ করেছে ঢালাওভাবে বলা হচ্ছে সবাই করোনায় মৃত্যু।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

শুক্রবার (১৫ সে) সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ত্রাণ উপকমিটির উদ্যোগে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসেময় ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন. প্রকৃতপক্ষে মৃত্যুর পরে তাদের পরীক্ষা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে কারও পজিটিভ, আবার কারও নেগেটিভ আসছে। মৃত্যুর পর যে পরীক্ষা করা হচ্ছে তা দেখেশুনে করা হচ্ছে। অনেকের নানা শারীরিক জটিলতায় স্বাভাবিক মৃত্যও হচ্ছে। এসব মৃত্যু নিয়েও মিথ্যাচার করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে টুইস্ট করে গুজব রটােচ্ছেন। অপরাধমূলক কাজে যারা উস্কানি দিচ্ছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বাধ্য হয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। আইনের জাতীয় অপপ্রয়োগ না হয় সেজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সজাগ রয়েছে। আমি আবারও বলছি, এক্ষেত্রে যদি কোথাও কোনো আইনের ব্যত্যয় বা অপপ্রয়োগ ঘটে তাহলে তার সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে জানানোর জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

সরকারের ত্রাণ তৎপরতার কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন. প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে এক লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। এছাড়া এক কোটি মানুষের মধ্যে রেশন কার্ড করা হয়েছে। ৫০ লাখ মানুষের মধ্যে নগদ সহায়তা কর্মসূচি চালু হয়েছে। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে এবং উদ্যোগ ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ওবাদুল কাদের বলেন, করোনা ভাইরাসজনিত কারণে সৃষ্ট সঙ্কটে ক্রাইসিস ম্যানেজার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সততা ও দক্ষতার যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা ৭৫ পরবর্তী ইতিহাসে নজিরবিহীন।

পরে ধানমন্ডির কার্যালয় থেকে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির মাধ্যমে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ সামগ্রী ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়।

এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য একেএম রহমতুল্লাহ, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার রোকেয়া সুলতানা ও উপদফতর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Loading