২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৩০
শিরোনাম:

ইতিহাসের শক্তিশালীতম ঘূণিঝড়ের সামনে ভারত ও বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষ

 করোনা পরিস্থিতিতে তৈরি হতে পারে ইতিহাসের বৃহত্তম মানবিক সঙ্কট।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

বুধবার মাটিতে আছড়ে পড়বে সুপার সাইক্লোন আম্ফান। উত্তর ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এতো তীব্র ঝড় কখনই তৈরি হয়নি। এমন এক সময় এই ঝড় আসছে, যখন এই অঞ্চল তীব্র করোনাসঙ্কটে রয়েছে। সিএনএন, আল জাজিরা, দ্য হিন্দু

সোমবার রাতে এই ঝড়ের কেন্দ্রের চারপাশে বাতাসের গতিবেগ ছিলো ২৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত। রেকর্ড রাখা শুরুর পর, কখনই বঙ্গোপসাগরের কোনও ঝড় এই তীব্রতা অর্জন করতে পারেনি বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট টাইফুন ওয়ার্নিং স্টোর।

এরপর সামান্য শক্তি হারিয়েছে ঝড়টি। তবুও এটি ক্যাটাগরি চার আটলান্টিক হারিকেন অথবা প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুপার টাইফুনের সমশক্তি সম্পন্ন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর শক্তি আরও কিছুটা বাড়তে পারে।

১৯৯৯ সালে বঙ্গোপসাগরে সর্বশেষ সুপার সাইক্লোন তৈরি হয়েছিলো। সেবার ১৫ হাজার গ্রাম বিদ্ধস্থ হয়। মারা যান প্রায় ১০ হাজার। সেবার ভাইজাগ অঞ্চলে আঘাত করলেও এবার তা সরাসরি আঘাত করতে যাচ্ছে বিশ্বের অন্যতম ঘণবসতিপূর্ন এলাকা কোলকাতা ও বাংলাদেশের স্বাতক্ষিরার মধ্যবর্তী এলাকায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছুটা উত্তর পূর্বে সরে যেতে পারে আম্ফান। তাহলে এটি আঘাত হানবে বরিশাল-পটুয়াখালী উপকূলে। এর সম্ভাব্য আঘাতের স্থান আসলে পশ্চিমবঙ্গের দিঘা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের হাতিয়া পর্যন্ত যে কোনও স্থানে।

মার্কিন বিশেষজ্ঞদের মতে, আশ্রয় কেন্দ্র ও উদ্ধার তৎপরতায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা অসম্ভব একটি বিষয়। আর কোভিড-১৯ এর কারণে এই দুই দেশের স্বাস্থ্যখাত প্রায় ভেঙে পড়েছে। এই অবস্থায় এই ঝড় হতে পারে মরার উপর খাড়ার ঘা।

Loading