৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:৫২
শিরোনাম:

এক্সিম ব্যাংকের এমডি ড. হায়দার আলী মিয়ার সঙ্গে আজ বৈঠক করবে ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ

এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ইস্টার্ন ব্যাংকের এমডি আলী রেজা ইফতেখার জানান,ঘটনাটি শুনেছি। তবে এখনো কোন অভিযোগ এসোসিয়েশনে আসেনি। এরকম ঘটনা খুবই উদ্বেগজনক খারাপ দৃষ্টান্ত।এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এর প্রতিবাদ জানাই। অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তি সিদ্ধান্ত নিব।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সিকদার গ্রুপের এমডি রন হক সিকদার ও তাঁর ভাই দিপু হক সিকদার অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ঋণ দিতে এক্সিম ব্যাংকের এমডি ও ডিএমডিকে চাপ দেয়। তারা তাদের বাসায় এ দুজনকে আটক করে রাখে। নির্যাতন করে। গুলিকরে খোঁড়া করে দেবার হুঁমকি দয়ে। পরে সাদা কাগজে সাক্ষর রেখে তাদের ছেড়ে দেয়। এ নিয়ে গুলশান থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ বলছে দুই ভাই পলাতক।

ঘটনাটি ঘটেছে বনানীর ১১ নম্বর সড়কের সিকদার হাউসে গত ৭ মে। মূলত এক্সিম ব্যাংক থেকে ৫০০ কোটি টাকা ঋণ চেয়ে সময়মতো না পাওয়াতেই চলে এ নির্যাতন। এ ঘটনার পর মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ব্যাংকের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা, আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা। মামলার বাদি হয়েছেন, এক্সিম ব্যাংকের আরেক পরিচালক ল্যাফটেন্যান্ট কর্ণেল(অব)সিরাজুল ইসলাম। ১৯ এপ্রিল ঘটনাটি ঘটে। কিন্তু মামলা হয়েছে ৭ মে। এ নিয়ে বাদী পক্ষ বলেছে, ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে মালাটি করতে সময় লেগেছে।

৫০০ কোটি টাকা ঋণের জন্য বন্ধকি দেওয়া সম্পত্তি দেখাতে নিয়ে গিয়েই জিম্মি করা হয় এই দুই ব্যাংক কর্মকর্তাকে। এরপর বনানীর বাসায় ধরে আনা হয়। দুপুর ১২ টায় জিম্মি হওয়ার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পান শীর্ষ পর্যায়ের এই দুই ব্যাংক কর্মকর্তা। এ সময় সিকদার গ্রুপের মালিকানাধীন ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডি চৌধুরী মোসতাক আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

Loading