৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:৫২
শিরোনাম:

ডা. জাফরুল্লাহর দুই মেয়ে ও স্ত্রীর কোভিড-১৯ পজিটিভ

গত ২৫ মে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি জানানো হয়। এখন পর্যন্ত তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তবে, তার সার্বিক অবস্থা বোঝার জন্য সামনের তিন থেকে চার দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানায়, গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

তিনি বলেন, ওনার দুই মেয়ে ও স্ত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তারা বর্তমানে হোম আইসোলেশনে আছেন। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সংস্পর্শে ছিলেন, এমন বেশ কয়েকজনই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তারা সবাই সুস্থ ও স্বাভাবিক আছেন। বর্তমানে তারা হোম আইসোলেশনে রয়েছেন।

ডা. মহিবুল্লাহ খন্দকার বলেন, যেহেতু কিডনি চিকিৎসার অংশ হিসেবে নিয়মিত তিনি ডায়ালাইসিস করাচ্ছেন এবং করোনায়ও আক্রান্ত হয়েছেন, তাই তার অবস্থা বোঝার জন্য সামনের তিন থেকে চার দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শনিবার তিনি গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে এসেছিলেন। সকালের দিকে তার অল্প শ্বাসকষ্ট ছিল। করোনা রোগী ও কিডনি ডায়ালাইসিসের রোগীর জন্য এটি অস্বাভাবিক বিষয় নয়। তবে, এটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের দেওয়া তথ্যমতে, করোনা আক্রান্ত হবার পর শনিবার তৃতীয়বারের মতো ডায়ালাইসিস করিয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এদিন তিনি ব্রিদিং থেরাপিও নিয়েছেন গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে। রাতে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন।

শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হওয়ার পর বাসার আইসোলেশনে চলে যান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এরপর গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে দুই দফা প্লাজমা থেরাপি নেন। পাশাপাশি চলছে কিডনি ডায়ালাইসিস।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকা মেডিকেলে কেবিন প্রস্তুত রাখা হলেও সেখানে যাননি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, আমি একজন চিকিৎসক। কোন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে, সেটা আমি বুঝি। আগেভাগেই হাসপাতালে ভর্তি হয়ে মানুষের মধ্যে করোনা সম্পর্কে ভুল মেসেজ দিতে চাই না।

এদিকে আইসোলেশনে থেকেও করোনা আক্রান্তদের জন্য ‘প্লাজমা ব্যাংক’ গঠনের কথা চিন্তা করছেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা। কোভিড-১৯ রোগীর মৃত্যুঝুঁকি কমাতে প্লাজমা ব্যাংক হতে পারে অন্যতম হাতিয়ার— এমনটিই ভাবছেন তিনি।

Loading