২৮শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:২৪
শিরোনাম:

ঠাকুরগাঁওয়ে শালিসে ২ কিশোরকে নির্যাতন, ইউপি সদস্যসহ আসামি ৭

মুঠোফোন চুরির অভিযোগে তাদের মারধর করা হয়। পীরগঞ্জ উপজেলার সেনগাঁও ইউনিয়নের দেওধা গ্রামে গত ২২ মে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার শিশু সুমনের মা সরিফা খাতুন গত শুক্রবার পীরগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

সরিফার অভিযোগ, তার স্বামীর বড় ভাই মোতালেব আলী তাকে কুপ্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় ক্ষীপ্ত হয়ে তার ১১-১২ বছরের ছেলে সুমন ও চাচাতো দেবরের ছেলে কামরুল ইসলামকে মুঠোফোন চুরির অভিযোগে শালিসের আয়োজন করেন।

তার আরো অভিযোগ, স্থানীয় ৪ নং ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে মোতালেবসহ কয়েকজন দুই শিশুকে হাত-পা বেধেঁ লাঠি দিয়ে বেদম মারধর করেন। এতে তারা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। নিযার্তনকারীরা মারধরের ভিডিওচিত্র দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। দাবির টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বাড়ি থেকে একটি গরু নিয়ে যান তারা।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম বলেন, দুষ্টু প্রকৃতির ওই দুই শিশু আব্দুল লতিফের একটি মোবাইল ফোন চুরি করেছে। এর আগেও তারা নানা অপরাধ করেছে। কিন্তু পারিবারিকভাবে তাদের শাসন করা হচ্ছিল না। তা ছাড়া যার মোবাইল ফোন চুরি হয়, তিনিই দুই শিশুকে মারধর করেছেন। সরিফা আমার ও মোতালেবসহ একই পরিবারের ৬ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।

পীরগঞ্জ থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায় বলেন, শিশুদের নিযার্তন করা অন্যায়। আসামিরা এলাকায় নেই, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে অন্য অভিযোগগুলো সঠিক নয়। সম্পাদনা : মিজান

Loading