,
শিরোনাম:

ডেল্টা প্লাসের কারণে পুনরায় লকডাউনে ফিরছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ

করোনার অতিসংক্রমক প্রজাতি ডেল্টা প্লাসের কারণে পুনরায় লকডাউনে যেতে শুরু করেছে এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ ও আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের দেশ। এখন পর্যন্ত ৮৫টি দেশে এই প্রজাতি শনাক্ত হয়েছে। ভয়েস অব আমেরিকা

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ও ডারউইনে লকডাউন জারি করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে কোয়ারেন্টাইন মুক্ত ভ্রমণ বাতিল করেছে নিউজিল্যান্ড। ইউরোপের দেশ স্পেন, নেদারল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ড মাস্ক পরাসহ অন্যান্য বিধিনিষেধ পুনরায় আরোপ করেছে। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো বলেছেন, তার দেশের মানুষ বিরল এক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। ইসরায়েলের ৫০ শতাংশ টিকা নেয়া ব্যক্তি পুনরায় ডেল্টা প্লাসে সংক্রমিত হয়েছেন। দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ সবাইকে মাস্ক পরার নির্দেশ দিয়েছে। আফগানিস্তান বলেছে, দেশটির জাতীয় ল্যাবে ১৯টি নমুনা পরীক্ষার পর ৬০ শতাংশ ডেল্টা ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। আফ্রিকা অঞ্চলের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ অধিদপ্তর জানায়, আফ্রিকার ১২টি দেশে ডেল্টা ধরণের কারণে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা মারাত্মক হারে বেড়েছে।

এপ্রিলে সর্বপ্রথম ভারতে ডেল্টা শনাক্ত হয়। এখন পর্যন্ত ভারত ও ব্রিটেনের ৯০ শতাংশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ শতাংশ সংক্রমণের জন্য দায়ী এই ধরন। করোনার অতিসংক্রামক প্রজাতি বি.১.৬১৭ এর পরিবর্তিত ধরন হচ্ছে ডেল্টা প্লাস। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, পরিবর্তিত এই রূপ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম। এটি টিকা নেয়া ব্যক্তিদের খুব সহজেই আক্রান্ত করে ও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

রাশিয়ার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি মেলিতা ভুজনোভিক বলেন, ‘টিকাদান জরুরি। কারণ এটি ভাইরাসের সংক্রমণের সম্ভাবনা হ্রাস ও আক্রান্ত হয়ে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি কমায়। কিন্তু ডেল্টার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একমাত্র টিকাই যথেষ্ট নয়। পাশাপাশি মাস্ক ও অন্যান্য সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা মানতে হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘ খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে আমাদের পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। অন্যথায় লকডাউন দিতে হবে।’

Loading