,
শিরোনাম:

বদলগাছী খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা দুর্গাপূজার চাল বিতরণে স্বাক্ষর নিলেও চাল গুদামেই

মোঃ ফারুক হোসেন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার ৮ ইউনিয়নের ১০৮ টি মন্ডবে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে সরকারী বরাদ্দ প্রতিটি মন্ডবে ৬০০ কেজি চাল প্রদান করেন। কিন্তু খাদ্য গুদাম কতৃপক্ষ স্ব-স্ব পুঁজা মন্ডব সভাপতি ও সেক্রেটারির খাদ্য গুদামের চাল বিতরন রেজিস্ট্রাট বহিতে স্বাক্ষর নিয়ে ডিও জমা গ্রহন করছেন বলে বিভিন্ন পুজা মন্ডবের সভাপতি ও সেক্রেটারির মাধ্যমে জানা যায়। গুদাম কতৃপক্ষের দায়িত্ব ডিও গ্রহনের পর চাল প্রাপ্তির স্বাক্ষর নিয়ে গুদাম হতে চাল বাহির করে দেওয়ার নিয়ম, কিন্তু বাস্তবে অনিয়ম গুদামের চাল গুদামেই রয় টাকা প্রদান করেন কে বা কারা।

এ ঘটনায় বদলগাছী খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি এলএসডির সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে না না প্রশ্ন উঠেছে।

প্রকল্প অফিস সূত্রে জানা যায় বদলগাছী উপজেলার ৮ টি ইউনিয়নে মোট ১০৮টি পূঁজামণ্ডবে ত্রাণ তহবিল হতে চাল বরাদ্দ হয়। বদলগাছী ইউনিয়নের ১৪টি মন্ডব, মথুরাপুর ইউনিয়নের ১৪টি, মিঠাপুর ইউনিয়নের ১২টি, কোলায় ইউনিয়নের ১০টি, বিলাসবাড়ী ইউনিয়নের ১২টি, আধাইপুর ইউনিয়নের ১৬টি, বালুভরা ইউনিয়নের ২৮টি, এবং পাহাড়পুর ইউনিয়নের দুটি পূঁজামণ্ডব।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ডিও লেটার খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়। এ সময় চাল বুঝে পাওয়ার রেজিস্টারে পূজামণ্ডপের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর নেওয়া হলেও বাস্তবে গুদাম থেকে চাল বাহির করা হচ্ছে না। বরং সরকার দলীয় কে বা কাহার দ্বারা চালের পরিবর্তে ২০ হাজার টাকা প্রদানের কথা নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা ।

উপজেলার মিঠাপুর ইউনিয়নের মালিপাড়া পূঁজামণ্ডপের সভাপতি শ্রী সুমন চন্দ্র মালি বলেন, “প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস থেকে ডিও লেটার নিয়ে খাদ্যগুদামের কর্মকর্তার কাছে গেলে, তিনি চাল বুঝে পাওয়ার রেজিস্টাট বইয়ে স্বাক্ষর নেন এবং ডিও লেটার হাতে নিয়ে বলে চলে যাও। আমরা কাগজ জমা দিয়ে চলে এসেছি, গুদাম থেকে চাল বের করতে হয়নি দাদা।

এ বিষয়ে বদলগাছী খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসিএলএসডি আতিকের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ডিও লেটার আমি জমা নিয়েছি চাল দেওয়া হয়নি। আমার জানা মতে, তারা চাল বিক্রি করে টাকা নিয়ে যাচ্ছেন।কতজনের ডিও পেলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন প্রর্যন্ত ৪৫ জনের, গুদামের চাল গুদামে পূজামণ্ডবের সভাপতির বক্তব্য এবং গুদাম কর্মকর্তার বক্তব্যের মধ্যে চাল উত্তোলন ও অর্থ গ্রহণের বিষয়টি রহস্যে ভরা। বরাদ্দের চাল রেজিস্টারে স্বাক্ষর নেওয়ার পর কীভাবে গুদামে রাখতে পারেন ওসি এল এস ডির ঐ রহস্যে ঘেরা প্রশ্নে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি স্বচেতন মহলের।

Loading