,
শিরোনাম:

তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করেও সুরাহা নেই, ফি জমা দিয়ে অপেক্ষায় সাংবাদিক

মোঃ ফারুক হোসেন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর আওতায় নির্ধারিত তথ্য প্রাপ্তির ফি সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার ১৬ কর্ম দিবস অতিবাহিত হলেও চাহিদা অনুযায়ী তথ্য পাননি বলে জানান।

জানা গেছে দৈনিক ইনকিলাবের উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ এনামুল কবীর এনাম, বদলগাছী খাদ্য গুদামে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রম-সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য চেয়ে আবেদন করেন গত ৩০/০৮/২০২৬ইং তারিখ। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সরকারি নিয়ম সহ ওসি এল এস ডি কে আড়াল করতে সঠিক সময় তথ্য প্রদান করছেন না।

আবেদন সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে তথ্য অধিকার আইনে তথ্য চেয়ে বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান ছনি এর বরাবর আবেদন করেন দৈনিক ইনকিলাব ও দৈনিক ঘোষণা বদলগাছী উপজেলা সাংবাদিক এনামুল কবীর এনাম। ইউএনও আবেদনটি উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার কাছে প্রেরন করেন মর্মে গত ১৬ সেপ্টেম্বর তথ্য প্রাপ্তির নির্ধারিত ফি সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য আবেদনকারীকে ডাকযোগে চিঠি প্রদান করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। চিঠি পাওয়ার পরেই গত ২০ সেপ্টেম্বর বদলগাছী সোনালী ব্যাংক শাখার মাধ্যমে নির্ধারিত ফি জমা দেন আবেদনকারী এনাম। যাহা টাকা জমার ট্র্যাকিং নম্বর ২৬২৭-০০১৮২৩২১৪৮।

তবে সাংবাদিক এনাম বলেন, ফি জমা দেওয়ার পরে ১৬ দিবস অতিবাহিত হলেও তথ্য পাচ্ছেন না সাংবাদিক এনাম।

আবেদনে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ও সরকারি ক্রয়মূল্য, ধান বিক্রি করা কৃষকদের নামের তালিকা, কৃষকপ্রতি ধান সংগ্রহের পরিমাণ এবং তাঁদের অনুকূলে পরিশোধিত অর্থের বিবরণ চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ধান সংগ্রহ কমিটির তালিকা, বরাদ্দকৃত ধান ক্রাশিংয়ের জন্য নির্ধারিত মিলের নাম-ঠিকানা, প্রতি টন ধান ক্রাশিংয়ের খরচ, খাদ্যগুদাম থেকে মিলে ধান পরিবহনে সরকারি ব্যায় এবং প্রতি টন ধান থেকে প্রাপ্ত চালের পরিমাণের তথ্যও চাওয়া হয়।

এসব তথ্য সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের স্বচ্ছতা, কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয়, মিল বরাদ্দ এবং সরকারি অর্থ ব্যয়ের হিসাব যাচাই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি এবং সরাসরি গত ১১ অক্টোবর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের কাছে সাংবাদিক ফেরদৌস, মুজাহিদ, এনাম টাকা জমার কত কর্মদিবস পরে তথ্য পাওয়া যাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পোষ্টে পাঠানো হবে।

উক্তবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান ছনির মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলে, তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার হোয়াটসঅ্যাপে মন্তব্যের বার্তা পাঠান সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তথ্য অধিকার আইনের উদ্দেশ্য সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কিন্তু আবেদনকারী নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার পরও তথ্য না পাওয়ার অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত তথ্য সরবরাহের নেক দৃষ্টি কামনা করেন আবেদনকারী সাংবাদিক এনাম।

Loading